কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৯:৩৯ | প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৯:২৮

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমীর দুদিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে অনাড়ম্বরপূর্ণ এক আয়োজনের মাধ্যমে দুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়।

উদ্বোধক ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমীর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমান দোলন। তিনি ঢাকাটাইমস ও সাপ্তাহিক এই সময় সম্পাদক এবং কাঞ্চন মুন্সী একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের সদস্য শেখ শহিদুল ইসলাম।

১৯৩৭ সালে কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমী প্রতিষ্ঠা করেন মরহুম কাঞ্চন মুন্সী। তাঁর হাত ধরেই আলফাডাঙ্গায় প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করে। এছাড়াও মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, দাতব্য চিকিৎসালয়সহ এই অঞ্চলের বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। বিশিষ্ট এই শিক্ষানুরাগী আরিফুর রহমান দোলনের প্রপিতামহ।

উদ্বোধক ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ বলেন, ‘কামারগ্রামের নাম শুনেছি। আগে কখনো আসিনি। এতো পুরোনো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখানে আছে না এলে জানা হতো না। জানা হতো না কাঞ্চন মুন্সী সম্পর্কেও।’ তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের উন্নয়নের আরিফুর রহমান দোলন ভাই কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি একজন উদার মনের মানুষ। এই অঞ্চলের মানুষের প্রতি ভালোবাসা অফুরান। জেলা পরিষদ থেকে এই এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কবরস্থানের উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’

আব্দুর রশিদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শরীর চর্চা করলে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ হবে। এ ব্যাপারে অভিভাবকদের যত্নবান হতে হবে।’

সভাপতি আরিফুর রহমান দোলন বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি শরীর চর্চার প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এদের মধ্য থেকে একদিন প্রতিভাবানরা বেরিয়ে আসবে।’ তিনি বলেন, ‘সুস্থ বিনোদনের অভাবে শিক্ষার্থীরা বিপথগামী হয়ে পড়ে। তারা মাদকাসক্ত হয়। তাই তাদের সঠিক পথে রাখতে খেলাধুলার চর্চা বাড়াতে হবে।’

ঢাকাটাইমস সম্পাদক বলেন, ‘এই স্কুলের ভবনসহ অবকাঠামো উন্নয়নে গত এক বছরে ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ভবিষ্যতেও স্কুলের উন্নয়নে কাজ হবে।’ তিনি জানান, কামারগ্রামে একটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার স্থাপিত হতে যাচ্ছে। ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ের নির্মিতব্য এই প্রতিষ্ঠানটির কাজ শুরু হবে শিগগির।

জাতীয় সঙ্গীতের সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে প্যারেড পরিবেশনের মাধ্যমে

অতিথিদের সালাম নিবেদন করা হয়। উদ্বোধক মশাল জ্বালিয়ে দিলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

শনিবার শেষ হবে দুদিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

(ঢাকাটাইমস/১৭ফেব্রুয়ারি/প্রতিনিধি/এইচএফ/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত