দাবদাহে কদর বেড়েছে তালশাঁসের

নাদিম মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জ থেকে
| আপডেট : ০৯ মে ২০১৭, ১২:১০ | প্রকাশিত : ০৯ মে ২০১৭, ১১:৫৪

চলছে তীব্র দাবদাহ। জনজীবন অতিষ্ঠ। এই গরমে একটু স্বস্তির খাবারে খোঁজে থাকে মানুষ। মুন্সীগঞ্জে এই গরমে কদর বেড়েছে স্বস্তিদায়ক খাবার তালের শাঁসের।

সৌখিন ক্রেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে মধু মাসের ফল তালের শাঁসের রয়েছে কদর। সব বয়সের মানুষের কাছে প্রিয় এই ফলটি। গরমের দিনে পিপাসাকাতর পথিকের তৃষ্ণা মেটায় তালের শাঁস। এটি শরীর শীতল করে। এই ফলটির সবচেয়ে ভালো দিক হলো এতে নেই কোনো ভেজাল। ফরমালিনের ভয়ে যখন অন্য ফল মুখে দেয়া যায় না তখন নির্বিঘ্নে খেতে পারেন সবাই তালের শাঁস।

মুন্সীগঞ্জের ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের মোড়ে বিক্রেতারা এখন হরদম বিক্রি করছে তালশাঁস। কোনো কোনো ব্যবসায়ী ভ্যানযোগে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে তালশাঁস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার পাশে মৌসুমী ফল তালের শাঁস বিক্রেতা সাহাবুদ্দিন ঢাকাটাইমসকে জানান, প্রতি বছর মধু মাসে বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারি দরে তাল কিনে তিনি বিক্রি করে থাকেন।

চলতি মৌসুমে দেশীয় তালের ফলন কম ও ছোট হওয়ায় মুন্সীগঞ্জে জেলা তাল এনে বিক্রি করতে হচ্ছে বলে জানালেন বিক্রেতারা। প্রতি পিস তাল শাঁস বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা করে।

বিক্রেতা সাহাবুদ্দিন বলেন, তালের বাজার কম হবে বলে মনে হয় না। তিনি জানান, এই ব্যবসা দুই এক মাসের জন্য স্থায়ী হয়ে থাকে। এতে তার প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা আয় হচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, বড় বাজারের সামনে, মুক্তারপুর, কাচারী চত্বর, পৌরসভার গেট সংলগ্ন, মুন্সিরহাটে সরেজমিনে দেখা যায় বিক্রেতারা তাল বিক্রি করছেন। রিকশাচালক থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার লোকজন তা কিনে খাচ্ছেন। গ্রীষ্মের এই ফলটি খেতে গিয়ে সবাই তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন। মোটামুটি সস্তায় নিরাপদ এই ফলটি খেতে পেরে তারা সন্তুষ্ট।

(ঢাকাটাইমস/০৯মে/প্রতিনিধি/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত