তওবায় আলোকিত হয় জীবন

ইসলাম ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ১১ জুন ২০১৭, ২২:০৮

মুমিনের হৃদয় ও জীবনকে ধুয়ে সাফ করার জন্য তওবাই হচ্ছে সুন্দর উপায়। পেছনের সব গোনাহর জন্য অনুশোচনা করে সামনে আর গোনাহ না করার প্রত্যয় নিয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়াই তওবার মূল কথা। যেসব গোনাহ ক্ষতিপূরণযোগ্য সেগুলোর ক্ষতিপূরণ দেয়ার চেষ্টা করা। যেমন নামাজ-রোজা কাজা হয়ে গিয়ে থাকলে হিসাব করে তা আদায় করতে লেগে যাওয়া। আর অপরের কোনো হক-টাকা-সম্পদ নিজের কাছে থাকলে তা আদায় করে দেয়া অথবা আদায় করতে থাকা। আর অন্যায়ভাবে কারও সম্মানহানি করলে, কাউকে কষ্ট দিলে তার কাছ থেকে যথাযথভাবে ক্ষমা গ্রহণ করা। তওবা করার পর যদি কোনো কারণে তা ভেঙে যায় তাহলে আবারও তওবা করা যায়।

রমজান আমাদের জীবনে যে শুদ্ধতার ও শুভ্রতার আবহ নিয়ে এসেছে, তাতে তওবা করে জীবনকে আলোকিত করার সুযোগ সবার গ্রহণ করা উচিত। রমজানে তওবা করে তার ওপর টিকে থাকা যত সহজ তা আর কখনও সম্ভব না। রমজানে চলতে-ফিরতে সংঘটিত নানা ধরনের পাপের জন্য আল্লাহর কাছে আমরা দিন শেষে অথবা গোনাহ হয়ে যাওয়া মাত্রই ইস্তেগফার করতে পারি। মুমিনের জীবনে অত্যন্ত সৌভাগ্যপূর্ণ নেয়ামত হচ্ছে আন্তরিক ইস্তেগফারের সুঅভ্যাস। রমজানে এ সুঅভ্যাসটি আমরা শুরু করতে পারি। আগে থেকে অভ্যাসটি থেকে থাকলে তা আরও জোরদার করতে পারি।

বান্দা যখন তার নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে, তার কাছে মাগফেরাত তলব করে-এটা আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। কোরআনের বিভিন্ন স্থানে দোয়া কিভাবে করতে হবে তার পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে। আল্লাহ বান্দার আহবানে সাড়া দেবেন বলে কোরআনে ওয়াদা করেছেন ‘হে বান্দারা! তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ বিশেষ বিশেষ মুহূর্তে ডাকলে আল্লাহ বান্দার ডাকে বেশি সাড়া দেন বলেও হাদিসে উল্লেখ আছে। রমজানে আল্লাহর দরবারে দোয়া করার এবং তা কবুল হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে এমন মুহূর্ত অনেক।

রমজানে দোয়া কবুলের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। অনেকগুলো মুহূর্ত আছে যখন দোয়া করলে তা কবুলের নিশ্চয়তা অনেক বেশি। রমজানের দোয়া কবুলের মুহূর্তগুলো কাজে লাগিয়ে তওবার মাধ্যমে প্রত্যেক মুমিনের সামনে নিষ্কলুষ জীবন গড়ার সুযোগ রয়েছে। এই সুযোগ হাতছাড়া করা কারও জন্য উচিত নয়।

(ঢাকাটাইমস/১১জুন/জেবি)

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

ইসলাম বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত