টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে নৌ চলাচল বন্ধ

টেকনাফ প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১২ জুন ২০১৭, ১৬:৫২

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও টানা বর্ষণে সোমবার সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ভারী বর্ষণের ফলে টেকনাফ উপজেলায় সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতের ক্ষত শেষ না হতে আবারো বৈরী আবহাওয়া শুরু হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে টেকনাফবাসী।

গত ২৮ মে উপকূল অতিক্রম করার সময় ঘূর্ণিঝড় মোরা টেকনাফে লণ্ডভণ্ড করে দেয়। এবার আবারো বৈরি আবহাওয়ার সৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে চিন্তায় পড়েছে উপজেলার বাসিন্দারা।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আহমেদ বলেন, গত দুই দিন ধরে নৌচলাচল বন্ধ থাকায় দ্বীপে নিত্যপ্রয়োজনী জিনিসপত্রের সংকট দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার স্টেশনের সহকারী আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে এবং উপকূলের সব নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটের সার্ভিস বোটের সভাপতি রশিদ আহমদ বলেন, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে যাত্রী ও মালপত্র পারাপার, ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এ কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে কোনো নৌচলাচল করতে পারছে না। ফলে দ্বীপে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যেতে পারেনি অনেক ব্যবসায়ী।

টেকনাফ সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজান মিয়া বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতের ১৪ দিনের মাথায় আবারো টেকনাফের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত দুই ধরে টানা বর্ষণে আমার নির্বাচনীয় এলাকায় প্রায় সাত শতাধিক মানুষ পানিবন্দী রয়েছে। তাদের খোঁজখবর নিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক বলেন, সর্তক সংকেত থাকায় মাছ ধরার কোনো নৌকা ও ট্রলারকে বঙ্গোপসাগরে যেতে অনুমতি দেয়া হয়নি। পাশাপাশি উপকূলের লোকজনকে সর্তক থাকতে বলা হয়েছে।

ঢাকাটাইমস/১২জুন/প্রতিনিধি/এমআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত