এক লাখ গ্রামীণ পরিবার পাচ্ছে কৃষি সহায়তা

আফরোজ ইসলাম, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৫ জুন ২০১৭, ১৭:৫২ | প্রকাশিত : ১৫ জুন ২০১৭, ১৭:৫১

দেশের এক লাখ গ্রামীণ পরিবারকে প্রয়োজনীয় কৃষি সহায়তা দেবে সলিডারিডাড নামের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। ইতোমধ্যে সংগঠনটি ৫৮ হাজার কৃষক পরিবারকে সহায়তা দিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট কনভেনশন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের সংগঠনটির ‘সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার, ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড লিংকেজেস প্রকল্পের(সফল) দ্বিতীয় পর্বের কাজ শুরু করার ঘোষণা দেয়া হয়।এই প্রকল্পের মাধ্যমেই এক লাখ গ্রামীণ পরিবারকে প্রয়োজনীয় কৃষি সহায়তা দেয়া হবে বলে জানানো হয়।

এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশে এক লাখেরও বেশি গ্রামীণ পরিবার উপকৃত হবে। নতুন এই পর্বে মৎস্য, দুগ্ধ ও সবজি এবং ফলের পাশাপাশি নতুন পণ্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে সয়াবিন, যেটি নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় ২৫ হাজার পরিবারকে সহায়তা জোগাবে।

সফল-এর দ্বিতীয় পর্বটি ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে।

অনুষ্ঠানে সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেন খাদ্য নিরাপত্তা, সাপ্লাই চেইনকে শক্তিশালীকরণ ও কৃষিখাতে নারী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর উৎপাদনশীল সম্পৃক্তিসহ কৃষিখাতের অন্তভুক্তিমূলক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনঃব্যক্ত করেন। ক্ষুদ্রচাষীদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের ক্ষেত্রে সফলের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় অবদান রাখছে।

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সফল-এর মডেল অনুসরণের জন্য তিনি সরকারি, বেসরকারি ও ব্যবসায়ী সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে সলিডারিডাড সাউথ অ্যান্ড সাউথইস্ট ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. শতদ্রু চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বাংলাদেশের ব-দ্বীপ অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা উন্নয়নের উদ্দেশ্যে সফল একটি সমন্বিত বাজার-ভিত্তিক কৌশল গ্রহণ করেছে। বিদ্যমান ১৫০০ ও নতুন উৎপাদনকারী দলগুলোকে ব্যবসার ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পুণ করার পাশাপাশি নেদারল্যান্ড-এর সর্বাধুনিক কৃষি প্রযুক্তিব্যবহারের মাধ্যমে ‘সফল’ ইকোলজির উপর প্রভাব হ্রাসের উদ্যোগ নেবে।

মূলধারার বাজারের সাথে উন্নততর সংযুক্তি নিশ্চিত করার জন্য পণ্য ও ক্লাস্টারভিত্তিক উৎপাদন পদ্ধতি এবং কন্ট্রাক্ট ফামিং-এর ওপর জোর দিয়ে সলিডারিডাড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ম্যানেজার সেলিম রেজা হাসান বলেন, কেবল খাদ্যের ক্রমবধমান চাহিদা পূরণের জন্যই নয়, বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ কৃষকের জীবনজীবিকা উন্নয়নের জন্যও বাজারমুখী কৃষি গুরুত্বপূণ।

রাজকীয় নেদারল্যান্ডস দুতাবাসের সহায়তা নিয়ে বাস্তবায়িত সফল প্রকল্পের প্রথম পর্বে কৃষি, দুগ্ধ ও সব্জী খাতে ১০২০টি উৎপাদনকারী দল প্লাটফম তৈরির পাশাপাশি লিড ফামার, কমিউনিটি পুষ্টি স্বেচ্ছাসেবক ও কমিউনিটি প্রাণীসম্পদ সেবাদাতাসহ স্থানীয় পযায়ে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সেবাদাতা তৈরি করেছে। প্রকল্পটি মানসম্মত খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে ৫৮ হাজার কৃষক পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সরকারি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, সলিডারিডাড-এর উন্নয়ন সহযোগী, সাপ্লাই ও ভ্যালু চেইনে নিয়োজিত ব্যক্তিবগ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সফল থেকে সুবিধাভোগীদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

(ঢাকাটাইমস/১৫জুন/এআই/এজেড)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত