বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু ২৫ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৭, ১৮:৫৪ | প্রকাশিত : ১৭ জুলাই ২০১৭, ১৬:১৯
ফাইল ছবি

আগামী ২৫ জুলাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হালনাগাদ কাজ শুরু হবে। চলবে ৯ আগস্ট পর্যন্ত। ২০০০ সালের ১ জানুয়ারিতে বা এর আগে যাদের জন্ম তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তথ্য সংগ্রহের পর তিনটি ধাপে ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকদের ছবি ও তথ্য নিবন্ধন করা হবে।

সোমবার দুপুরে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয় সভা শেষে  ইসি সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি জানান, এবারের ভোটার তালিকায় বাদ পড়া ৩৫ লাখ ভোটারকে অন্তর্ভূক্ত করা হতে পারে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৮ সালের ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। হালনাগাদে ঠিকানা স্থানান্তর ও মৃত ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়া হবে। তবে তথ্য হালনাগাদে নাম সংশোধনের বিষয়টি রাখা হয়নি। নাম বা অন্য যেকোনো সংশোধনের জন্য যেকোনো দিন নির্বাচন অফিসে যেতে হবে। আর এটা সারাবছরই করা যাবে।

সারা বছরই যে কেউ তার নতুন করে ভোটার তালিকাভূক্ত করা যাবে। এছাড়া সংশোধনের আবেদন করতে পারবে, সংযোজন-বিয়োজন করতে পারে, কোনো ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে যেকোনো সময় উপজেলা নির্বাচন অফিসে এসে আবেদন করতে পারবেন।

ইসি সচিব জানান, ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পাদনের জন্য সাত পর্যায়ে সাত ধরনের কমিটি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটি, বিভাগীয় কমিটি, জেলা, উপজেলা, বিশেষ এলাকার জন্য আদালা কমিটি, সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য কমিটি, ক্যান্টনমেন্ট এলাকার জন্য কমিটি আছে।

জনসংখ্যায় নারীর অনুপাতে ভোটার তালিকায় নারীর সংখ্যা কিছুটা কম। এ জন্য এবার নারী ভোটার বাড়ানোর নির্দেশনা আছে বলে জানান ইসি সচিব। বলেন, ‘নারী ভোটার বাড়ানোর জন্য আমরা বিশেষ উদ্যোগ হাতে নিয়েছি মহিলা বিষয়ক মন্ত্রী এবং সচিবের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা বলেছি। এছাড়া নারী নেতৃত্বে যারা আছেন বিশেষ করে নারী জনপ্রতিনিধি, এনজিও কর্মীদেরকে এই কার্যক্রমের সহযোগিতা আমরা চেয়েছি।’

রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়া ঠেকাতে বিশেষ উদ্যোগ

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের ভোটার তালিকায় নাম তোলা ঠেকাতে এবার বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছেন ইসি সচিব। তিনি জানান, রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ৩০ উপজেলায় ভোটার হতে হলে তার বাবা-মা, ফুফু, চাচার জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে। রোহিঙ্গারা যেন মিথ্যা পরিচয়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে না পারে সে জন্যই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ইসি সচিব বলেন, ‘ বিশেষ এলাকা এর আগে ২০টি উপজেলা ছিল। এবার আরও ১০টি এলাকা চিহ্নিত করেছি। এই ৩০টি এলাকার জন্য বিশেষ কমিটি রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ার প্রবণতা রোধে এসব বিশেষ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

‘বিশেষ এলাকায় ভোটার হতে চাইলে কমিটি ভোটারের বাবা-মার আইডি দেখবে, ফুফু-চাচার আইডি দেখবে। এসব না থাকলে বা বিদেশি নাগরিক প্রমাণ পেলে কোনো লোক ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে পারবে না।’

সভায় সকল বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ সদরপ্তরের প্রতিনিধি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকাটাইমস/১৭জুলাই/এএকে/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত