ঈদের জন্য বেনাপোল দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু

বেনাপোল প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৬ আগস্ট ২০১৭, ০৮:৩০
ফাইল ছবি

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্তপথে বৈধ ও অবৈধ পথে আসছে ভারতীয় গরু। বৈধ পথের হিসাব থাকলেও অবৈধ পথে বা চোরাচালানের মাধ্যমে কত গরু আসছে তার কোনো তথ্য নেই কারো কাছে।

কাস্টম ও ভ্যাট অফিসের হিসাব অনুযায়ী গত এক মাসে বৈধ পথে ভারত থেকে ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে বাংলাদেশে। এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়বে বলে জানান কাস্টম ও গরু ব্যবসায়ীরা।

যশোরের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে ভারত সীমান্ত। এর বেশির ভাগ স্থান জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। তবে যেসব স্থানে বেড়া নেই, সেই পথে অনায়াসে গরু আনা যায়। আর যে পথে কাঁটাতারের বেড়া সেখানে নেয়া হয় ভিন্ন কৌশল। গরু-ছাগল মাঠে চরানোর নাম করে গেট দিয়েই পার করে দেয়া হয় বাংলাদেশে।

অন্যদিকে বৈধ পথে গরু, ছাগল ও ভেড়া আনার জন্য বেনাপোলে কয়েকটি খাটালের অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা এই চারটি খাটালে বর্তমানে সীমিতসংখ্যক গরু আসছে। চার-পাঁচ বছর আগে পুটখালীসহ এসব খাটাল হয়ে প্রতিদিন তিন-চার  হাজার গরু আসত।

বিজিবি ও যশোরের নাভারণের পশু শুল্ক করিডোর সূত্রমতে, গত ১ মাসে  ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে। গরু  থেকে ৩০ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা আয় করেছে সরকার।

এ অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কাস্টমস পরিদর্শক সুমা মনি জানান, বেনাপোল সীমান্তের চারটি পশুর হাট পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা দিয়ে যে পশু আসে সেগুলোর ভ্যাট আদায় করা হয় নাভারণ করিডোরে। হিসাব করে দেখা গেছে, গড়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০টি পশু আসছে। ঈদ সামনে রেখে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এদিকে কোরবানির আগে পশু আমদানি বেড়ে গেলে বা ভারত থেকে পশু আসা বাড়লে দেশি খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা। তবে খুব বেশি ক্ষতি হবে এমনটা মনে করছেন না যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের হিসাব মতে, কোরবানি উপলক্ষে যশোরের ৮ উপজেলায় ৬৮ হাজার ২৫টি পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরু ৩৫ হাজার ৭০০, ছাগল ২৯ হাজার ৩০০ ও ভেড়া রয়েছে ৩ হাজার। আর জেলায় ৫৫ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে।

অর্থাৎ ২৯ হাজার গরু এবং ছাগল ও ভেড়া মিলে ২৬ হাজার। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বাইরের জেলায় কোরবানির পশু সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানান যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।

(ঢাকাটাইমস/১৬আগস্ট/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত