মাদ্রাসা সুপারকে পিটিয়ে হত্যা: মামলা করায় বাদীর বাড়ি-ঘর ভাংচুর

এম. বেলাল হোসাইন, সাতক্ষীরা
 | প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৪:১৫

মাদ্রাসা সুপারয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশকে আসামি করে মামলা করায় বাদীর ঘর-বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা।  মামলা তুলে না নিলে বাড়ির সবাইকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার তিনটার দিকে সদরের কাথন্ডা গ্রামের মামলার বাদীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এসময় দুর্বৃত্তরা বাদীর বাড়ি-ঘর ভাংচুর, মামাল মাল লুটপাট, কয়েকটি মোবাইল ছিনিয়ে নেয়াসহ বাদী বজলুর রহমানের ছেলে রাকিবুজ্জামানকে ব্যাপক মারটি করে বলে অভিযোগ।  মামলা তুলে না নিলে বাদীর স্ত্রীকে বিধবা, বোনকে বাবা-মা হারানো ও ছেলেকে জীবনাশের হুমকি দেয়া হয়।

বাদী বজলুর রহমান জানান, প্রথমে তারা তার বাড়িতে যেয়ে তাকে ডাকা ডাকি করতে থাকে। ঘর থেকে বলা হয় তার বাবা বাড়িতে নেই।  এসময় তারা প্রথমে বারান্দার গ্রিল ভাঙে। পরে দরজায় আঘাত করে ঘরে প্রবেশ করে। প্রবেশের পর মামলার বাদীকে না পয়ে তার ছেলে ব্যাপক মারপিট করে। ছেলে বলে আমি অনেক অসুস্থ। আমাকে মারবেন না। তখন দৃবৃর্ত্তরা বলে তোর বাপকে মামলা তুলে নিতে বল নইলে তোকে মেরে ফেলবো। সন্ত্রাসীদের মাথায় হেলমেট ছিল ও তাদের সঙ্গে তিনজন পুলিশ সদস্য ছিল বলে ঘটনায় বাদীর স্ত্রী জানান।

এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরায় পুলিশের নির্যাতনে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসধীন অবস্থায় মাদরাসা সুপারের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজন এসআইসহ ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা করে নিহতের ভাই।

নিহতের বড় ভাই বজলুর রহমান বাদী হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা আমলি আদালতে (১) মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত পূর্বক ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বাড়ি-ঘর ভাঙচুরের বিষয়ে জানতে  সদর থানারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহম্মেদের অফিসিয়াল নম্বরে যোগাযোগ করলে এএসআই রুবেল রিসিভ করে বলেন, স্যার নাইট ডিউটি করে ছয়টার সময় বের হয়ে গেছেন। পরে কথা বলেন। এরপর ওসি তদন্ত আব্দুল হাসেমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

(ঢাকাটাইমস/২২সেপ্টেম্বর/জেডএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত