‘বাবা’র সঙ্গে হানিপ্রীতকে নগ্ন অবস্থায় দেখেছিলেন বিশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১২:১৭

ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত ধর্মগুরু রাম রহিম সিংকে তার কথিত পালিত কন্যা হানিপ্রীত ইনসানের সঙ্গে নগ্ন অবস্থায় একই বিছানায় দেখেছেন তার স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত। এক সংবাদ সম্মেলনে ‘বাবা-মেয়ের’ আসল সম্পর্কের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, রাম রহিম জেলে থাকলেও, তার এখনো অনেক ক্ষমতা। এমনকী এই সংবাদ সম্মেলন করার জন্য তার মৃত্যুও হতে পারে।

ডেরা সাচ্চা সৌদা প্রধানের দত্তক কন্যা হানিপ্রীতের সাবেক স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত বলেন, ‘এই যে আপনারা আমাকে দেখলেন, এর পরে আর দেখবেন কি না জানি না। গুরমিত রাম রহিম সিংহের বিশাল ক্ষমতা। তা যতই লোকটা জেলে থাকুক না কেন।’

সাংবাদিক বৈঠক তিনি বলেন, বাবা-মেয়ের সম্পর্ক আসলে ভাঁওতা। গুরমিতের সঙ্গে একই বিছানায় শুয়েছে হানিপ্রীত। ওদের শারীরিক সম্পর্ক ছিল। আমি ‘বাবা’র সঙ্গে হানিপ্রীতকে নগ্ন অবস্থায় দেখেছি।

সিরসায় ডেরা-সাম্রাজ্যে ‘বাবার গুফায়’ কী ধরনের কাজকর্ম চলত, তা নিয়ে নানা কথা শোনা গিয়েছে গুরমিত জেলে যাওয়ার পরে। বিশ্বাস দাবি করেন, ওই গুফাতেই তিনি এবং হানিপ্রীত-সহ ছয়জোড়া ছেলেমেয়েকে কাটাতে হয়েছিল ২৮ দিন। কারণ, ‘বাবা’ তখন টিভির রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’ এর আদলে নিজের গুফায় একই ধরনের একটি খেলা চালু করেছিল। ওই ১২ জন ছিলেন প্রতিযোগী।

তবে বিশ্বাস জানিয়েছেন, এই ‘খেলার’ সময়টুকু বাদ দিলে গুরমিতের গুফায় তার বিশেষ প্রবেশাধিকার ছিল না। বরং হানিপ্রীত যখন গুরমিতের ঘরে যেতেন, তখন তাকে বের করে দেওয়া হতো। আর হুমকি দেওয়া হতো মুখ বন্ধ রাখার জন্য।

বিশ্বাস বলেন, গুরমিত আমাকে খুন করার নির্দেশ দিয়েছিল। হানিপ্রীতকে মোটেই আইনি পথে দত্তক নেওয়া হয়নি। বরং ২০০৯ থেকে হানিপ্রীতই ছিল বকলমে গুরমিতের স্ত্রী।

দুইজনের অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনেই ২০১১ সালে বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন বিশ্বাস। ডেরা থেকে চলে আসেন পঞ্চকুলার সেক্টর ১৫-র বাড়িতে। এর পরেও তার উপরে সর্বক্ষণ নজর রাখত গুরমিতের লোকেরা। শেষ পর্যন্ত যৌতুকের ‘মিথ্যা’ মামলায় জড়িয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছিল তাকে।

(ঢাকাটাইমস/২৩সেপ্টেম্বর/জেএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত