জঙ্গিবাদে অর্থায়ন করে সফটওয়্যার কোম্পানি ‘আইব্যাক’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৫:১২ | প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৪:৫৮

আইব্যাক নামের একটি সফটওয়্যার কোম্পানি জঙ্গি কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করে বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

র‌্যাব জানায়, কোম্পানিটির মালিকের মৃত্যুর পর তার ছোট ভাই আতাউল হক সবুজ স্পেনে বসে জঙ্গিদের অর্থায়ন করছে। এই অভিযোগে স্পেনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার প্রধান মুফতি মাহমুদ খান।

এর আগে র‌্যাবের অভিযানে ঢাকা, খুলনা ও রাজশাহীতে অভিযান চালিয়ে জঙ্গিবাদে অর্থায়নে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

এরা হলেন-গ্রেপ্তারকৃতরা  হলেন- আল মামুন, আল আমিন, ফয়সাল ওরফে তুহিন, মঈন খান, আমজাদ হোসেন, নাহিদ, তাজুল ইসলাম ওরফে শাকিল, জাহেদুল্লাহ, আল আমিন, টনি নাথ এবং হেলাল উদ্দিন। তাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ও নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, আইব্যাক নামের একটি সফটওয়ার কোম্পানি বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যসহ পৃথিবীর নয়টি দেশে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ওই প্রতিষ্ঠানটি জেএমবির সারোয়ার তামীম গ্রুপের বাশারুজ্জামান চকলেটের মাধ্যমে তামীম চৌধুরীকে ৫০ হাজার ইউএস ডলার সমপরিমাণ বাংলাদেশি টাকা দিতে চেয়েছিল। তখন বিষয়টি আইন শৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর সদস্যরা জেনে ফেলে। এজন্য বাংলাদেশে ও যুক্তরাজ্যে আইব্যাকের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, এ ঘটনার পর আতাউল হক সবুজের ভাই সিরিয়ায় গিয়ে মারা যায়। পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিক হন আতাউল হক সবুজ। পরে তিনি নিরাপদ এলাকা হিসেবে স্পেনে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। সেখান থেকে তিনিও জঙ্গিবাদে অর্থায়ন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ২০১৫ সালে সাতজনকে আসামি করে একটি মামলাও হয়েছিল। ওই মামলায় বর্তমানে চারজন আসামি জামিনে বাইরে রয়েছেন। এদের মধ্যে দুইজন গতকাল রাতের অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, আজকের অভিযানে অন্য একটি নতুন মাত্রা আছে। গোয়েন্দা তথ্যে ভিত্তিতে যখন নিশ্চিত হই যে বাংলাদেশি এক নাগরিক স্পেনে থেকে জঙ্গি কাজে জড়িত আছে। তারপর বিষটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে স্পেনের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং তাকে সেখানেই চিহিৃত করা হয়। পরে আজ বাংলাদেশে যখন অভিযান হচ্ছিল, একই সময় স্পেনে সেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আতাউল হক সবুজকে গ্রেপ্তার করেছে।  সবুজের স্ত্রীও স্পেনে বসবাস করেন। তার বিরুদ্ধেও সেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে।

ঢাকাটাইমস/২৩সেপ্টেম্বর/এএ/জেডএ

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত