দুই বছর পরপর অর্থনৈতিক শুমারির কথা ভাবছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১২ অক্টোবর ২০১৭, ২০:৪৫

আগামীতে প্রতি দুই বছর পরপর দেশের অর্থনৈতিক শুমারি এবং প্রতিবছর শুমারির তথ্য হালনাগাদ করার চিন্তাভাবনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার বিকালে আগারগাঁওয়ের পরিসংখ্যান ভবনে আয়োজিত ‘স্ট্যাটিস্টিক্যাল বিজনেস রেজিস্ট্রার এর খসড়া প্রশ্নপত্র বিষয়ে মতামত প্রদান কর্মশালা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই কথা বলেন।

অর্থনৈতিক শুমারি প্রকল্প-২০১৩ এর আওতায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কেএম মোজাম্মের হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ, পরিসংখ্যানবিদ, গবেষক, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিআইডিএস, এফবিসিসিআইসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক পরিসর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। আমরা উন্নত দেশ হওয়ার দিকে এগুচ্ছি। তাই বিভিন্ন নীতি পরিকল্পনার জন্য অর্থনীতিসংক্রান্ত সমসাময়িক তথ্য-উপাত্তের প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ১০ বছরে একবার পরিচালিত শুমারির ওপর নির্ভর করা সঠিক হবে না। প্রকৃতগতভাবে অর্থনৈতিক শুমারি বা স্ট্যাটিস্টিক্যাল বিজনেস রেজিস্টার মূলত একই জিনিস। দুটোকে একীভূত করে অর্থনৈতিক তথ্যের ভাণ্ডার গড়ে তোলা হবে।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে অর্থনৈতিক শুমারি প্রকল্পের পরিচালক মো. দিলদার হোসেন বিজনেস রেজিস্ট্রার ও এর দুই পৃষ্ঠার প্রশ্নপত্র সম্পর্কে ধারণা দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিজনেস রেজিস্ট্রার তৈরি করবে বিবিএস। বিজনেস রেজিস্ট্রার হচ্ছে একটি দেশের সব শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক তথ্যের কেন্দ্রীয় ভাণ্ডার। এ তথ্য ভাণ্ডারে মূলত প্রতিটি শিল্প বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, প্রতিষ্ঠানের আইনগতভিত্তি, নিয়ন্ত্রণকারী (প্রধান কার্যালয়) প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক, জনবল, বার্ষিক আয়-ব্যয়, নিট সম্পদের পরিমাণ প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকবে যা নিয়মিত হালনাগাদও করা হবে। এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে দেশের শিল্প বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে, যার ওপর ভিত্তি করে এ সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন সহজ হবে। এটি তৈরিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো হচ্ছে।

(ঢাকাটাইমস/১২অক্টোবর/জেআর/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত