নোয়াখালীতে পানিবন্দি ২শ পরিবার, প্রাণ গেল গৃহবধূর

নেয়াখালী প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ অক্টোবর ২০১৭, ২২:৩৩

টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানিতে ডুবে রোকেয়া বেগম নামে এক গৃহবধূ মারা গেছেন। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ২শ পরিবার।

শনিবার বিকালে মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে জোয়ারের পানিতে ডুবে রোকেয়া বেগমের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানায়, গত দুই দিনের টানা বর্ষণে উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলসহ ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার দুপুরে ঝড়ের আঘাতে চরপার্বতী, মুছাপুর, চরফকিরা ও চরএলাহি ইউনিয়নের কাচা ঘর এবং গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়। বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার ও খুড়ি পড়ে যাওয়ায় এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

এদিকে, বিকালে মুছাপুর ৭নং ওয়ার্ডে শহীদ উল্যার নতুন বাড়িতে জোয়ারের পানি ডুকে পড়লে শহীদের পরিবারের লোকজন নিরাপদে সরে আসতে পারলেও তার মেয়ে রোকেয়া বেগম ঘরে থেকে যায়। পরে পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে ঘরে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়।

মুছাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম শাহীন পানিবন্দি হয়ে রোকেয়া বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কোম্পানিগঞ্জ সিপিপি টিম লিডার ইলিয়াছ মিয়া জানান, সাগরে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট উচ্চতায় অস্বাভাবিক জোয়ারে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় প্রবল বাতাসের কারণে কাঁচা ঘরবাড়ি হেলে পড়েছে। চরএলাহি ইউনিয়নের গাংচিল গ্রাম ও দক্ষিণ চরএলাহি এলাকার মাছের প্রজেক্টে জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণে মাছ ভেসে গেছে। আমন ধান পানির নিচে ডুবে গেছে।

তিনি জানান, উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চল মুছাপুর, চরএলাহী, চরফকিরা ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামে জোয়ারের পানি ডুবে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ২শ পরিবার।

বিকালে কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল ও উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইব্রাহিম খলিল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

(ঢাকাটাইমস/২১অক্টোবর/প্রতিনিধি/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত