জন্মদিনে রুনা লায়লা কথন

বিনোদন ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৭, ১২:০৭ | প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর ২০১৭, ১১:৫৩

রুনা লায়লা বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা গায়িকা। বাংলাদেশে তিনি চলচ্চিত্র, পপ ও আধুনিক সঙ্গীতের জন্য বিখ্যাত। তবে গজল গায়িকা হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তাঁর সুনাম আছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে থেকেই তিনি চলচ্চিত্রের গায়িকা হিসাবে কাজ শুরু করেন।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতীয় এবং পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের অনেক গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। রুনা লায়লা বাংলা, উর্দু, পাঞ্জাবি, হিন্দী, সিন্ধি, গুজরাটি, বেলুচি, পশতু, ফার্সি, আরবি, মালয়, নেপালি, জাপানি, স্পেনীয়, ফরাসি, ইতালীয় ও ইংরেজি ভাষাসহ মোট ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন। তাঁর ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ গানটি পাকিস্তানে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

জীবন্ত এ কিংবদন্তী গায়িকার আজ জন্মদিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জীবনের ৬৪টি বসন্ত পেরিয়ে আজ ৬৫ বছরে দিলেন তিনি। স্বনামধন্য এ গায়িকার জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

রুনা লায়লার শৈশব কাটে পাকিস্তানের লাহোরে

রুনা লায়লার বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা। মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী। তাঁর মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী। রুনা লায়লার যখন আড়াই বছর বয়স তখন তাঁর বাবা রাজশাহী থেকে বদলী হয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের মুলতানে চলে যান। সে সূত্রে তাঁর শৈশব কাটে পাকিস্তানের লাহোরে।

রুনা লায়লার যত পুরস্কার

সঙ্গীতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন রুনা লায়লা। পেয়েছেন রেকর্ড সাত বার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’। ১৯৭৬ সালে ‘দি রেইন’, ১৯৭৭ সালে ‘যাদুর বাঁশি’, ১৯৮৯ সালে ‘অ্যাক্সিডেন্ট’, ১৯৯৮ সালে ‘অন্তরে অন্তরে’, ২০১২ সালে ‘তুমি আসবে বলে’, ২০১৩ সালে ‘দেবদাস’ এবং ২০১৪ সালে ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ ছবিগুলোর জন্য এ পুরস্কার লাভ করেন রুনা লায়লা। ২০১৬ সালে জিতেছেন জয়া আলোকিত নারী সম্মাননা।

এছাড়াও তিনি ভারত থেকে লাভ করেছেন সায়গল পুরস্কার, সঙ্গীত মহাসম্মান পুরস্কার, তুমি অনন্যা সম্মাননা এবং দাদা সাহেব ফালকে সম্মাননা। অন্যদিকে, পাকিস্তান থেকে পেয়েছেন নিগার পুরস্কার, ক্রিটিক্স পুরস্কার, দুই বার গ্রাজ্যুয়েট পুরস্কার এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিষদ স্বর্ণপদক।

চলচ্চিত্রে অভিনয়

রুনা লায়লা চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘শিল্পী’ নামের একটি ছবিতে চিত্রনায়ক ও স্বামী আলমগীরের বিপরীতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন। শিল্পী ছবিটি ইংরেজি চলচ্চিত্র `The Bodyguard’-এর ছায়া অবলম্বনে চিত্রিত হয়েছিল।

শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে রুনা লায়লা ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশি চিত্রনায়ক আলমগীরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর মেয়ে তানি লায়লা ও দুই নাতি জাইন এবং অ্যারন। দুই জনেরই ছিল এটি দ্বিতীয় বিবাহ। প্রথম ঘরে নায়ক আলমগীরের মেয়ে আঁখি আলমগীর। সৎমা রুনা লায়লার মত তিনিও একজন সঙ্গীতশিল্পী।

ঢাকাটাইমস/১৭নভেম্বর/এএইচ

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত