ভোলায় লঞ্চ মালিকদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেতে মামলা

ভোলা প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর ২০১৭, ১৯:৫৪

ভোলায় কর্ণফুলী- ৯, ১০, ১১, এমভি ভোলা, ক্রিস্টাল ক্রুজ, গ্লোরি অব শ্রীনগর, এমভি বালিয়া লঞ্চের মালিকের বিরুদ্ধে যাত্রীদের কেবিন বন্টনে অনিয়ম, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ও রোটেশন বাতিলের জন্য মামলা করা হয়েছে। রবিবার ভোলার ব্যবসায়ী মো. রুহুল আমিন কুট্টি বাদী হয়ে ভোলা চিফ জুডিসিয়াল আদালতে এ মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদী পক্ষকে ‘কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না’ মর্মে সমন জারি করেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী ভোলা থেকে ঢাকা নৌ-রুটে প্রতিদিন চারটি করে লঞ্চ চলাচল করার কথা থাকলেও মালিক পক্ষ রোটেশনের নামে ভোলার ২৫ লাখ মানুষকে জিম্মি করে দুইটি করে লঞ্চ চালু রাখছেন। এতে করে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি ও আমাদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। শুধু তাই নয়, দুই দিন আগে কেবিন বুকিং দিয়েও কেবিন পাচ্ছেন না যাত্রীরা। এছাড়াও রোটেশনের কারণে ধারণ ক্ষমতার অধিক যাত্রী নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে উত্তাল নদী পাড়ি দিচ্ছে লঞ্চগুলো।

ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ভোলা থেকে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য জেলার সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হলো নৌ-পথ। এ সুযোগে ভোলার লঞ্চ মালিকরা রোটেশনের নামে যাত্রীদের জিম্মি করে অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা রোটেশনের কারণে নিয়মিত পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে না পারায় ভোলায় সব সময়ই দ্রব্যমূল্য বেশি থাকে। লঞ্চ মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে রোগীরা পর্যন্ত নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে না। এ কারণে বহুবার ভোলার প্রাশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

মামলার কৌসলী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম মোর্শেদ কিরণ তালুকদার জানান, ভোলা-ঢাকা নৌ-রুটের লঞ্চ মালিকদের বিরুদ্ধে জাজ অব পিচ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫ ধারায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে। আমরা জবাবের অপেক্ষায় আছি।

(ঢাকাটাইমস/১৯নভেম্বর/প্রতিনিধি/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত