৭ মার্চের ভাষণের স্বীকৃতি

সারাদেশে আনন্দ উদযাপন

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
| আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৭, ২২:০০ | প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর ২০১৭, ১৪:১৩

ফরিদপুর: ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি উদযাপনে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের উদ্যেগে নানা আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়েছে।

সকাল ১০টায় উপজেলার চত্বর থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূরবী গোলদারের নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়।

শোভাযাত্রা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ দরবার হলে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান, বিশেষ অতিথি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হারিজুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিনিয়া নাজনীন কল্পনা প্রমুখ।

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর): সকাল ১০টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে র‌্যালি ও আলোচনা সভা হয়।

পরে উপজেলা পরিষদ মিলনাতনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন- উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দীন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়ন্তী রুপা রায়, ওসি মো. নাজমুল করিম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।

বোয়ালমারী (ফরিদপুর): বেলা ১১টায় আনন্দ শোভাযাত্রা বের করে উপজেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক আলোচনা সভাও হয়।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান এম.এম মোশাররফ হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে পৌর মেয়র মো. মোজাফফার হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মৃধা মিলন প্রমুখ।

নারায়ণগঞ্জ: ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেসকোর বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি উদযাপনে নারায়াণগঞ্জে আনন্দ শোভাযাত্রা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় চাষাঢ়া গোল চত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়। পরে শোভাযাত্রাটি প্রধান প্রধান সড়ক হয়ে প্রেসক্লাব ঘুরে চাষাঢ়া শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।

এর আগে চাষাঢ়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া ওসমানী স্টেডিয়ামে দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হোসেনে আরা বাবলী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি খোকন সাহা প্রমুখ।

গাজীপুর:  সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেলের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। আনন্দ শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীরসহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তি, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। বিকালে রাজবাড়ি মাঠে আলোচনা সভা হওয়ার কথা রয়েছে।

মির্জাপুর: সকাল ১০টায় মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়।

এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীন।

শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

মুন্সীগঞ্জ: সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। পরে শহিদ মিনার চত্বরে আলোচনা সভা হয়।

শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশিদ, পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রট শওকত আলম মজুমদার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনিস উজ্জামান আনিস, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ফয়সাল বিপ্লব প্রমুখ।

ময়মনসিংহ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্কিট হাউজ মাঠে সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। পরে শহরের প্রধান সড়কে আনন্দ শোভাযাত্রা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

 

শোভাযাত্রায় অংশ নেন বিভাগীয় কমিশনার জিএম সালেহ উদ্দিন, পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, জেলা প্রশাসক (ডিসি) খলিলুর রহমান, ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ এর কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল শরীফুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জহিরুল হক খোকা, সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, মহানগর যুবলীগ সভাপতি শাহীনুর রহমান।

বরিশাল: সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু উদ্যান থেকে একটি আননন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। এর আগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান বিভাগীয় কমিশনার  মো. শহিদুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার মো. রুহুল আমিন, জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান ও পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম। এরপর বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার সূচনা করা হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে মিলিত হয়।

শোভাযাত্রায় মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

বিকাল ৪টায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আনন্দ কনসার্ট হবে।

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ): উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সারাদেশের ন্যায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানেও আনন্দ শোভাযাত্রা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে শুরু করে দুপুর ১২টায় সমাপ্তি ঘটে।

উপজেলার রাজদিয়া অভয় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে আনন্দ শোভাযাত্রাটি বের হয়ে উপজেলার সিরাজদিখান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন- উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ, সিরাজদিখান (সার্কেল) সিনিয়র এএসপি কাজী মাকসুদা লিমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানবির মোহাম্মদ আজীম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নজরুল ইসলাম, সিরাজদিখান থানার ওসি আবুল কালাম, পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

পিরোজপুর: সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন শেষে বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সেখ।

পরে রচনা, কুইজ, সাধারণ জ্ঞান, সাংস্কৃতিক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

সাতক্ষীরা: সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর-২ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর হোসেন সজল, সদর সার্কেল এসপি মেরিনা আক্তার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহম্মেদ প্রমুখ।

সিলেট: এদিন জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হয় আনন্দ শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা। পরে শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আনন্দ শোভাযাত্রায় মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।

নরসিংদী: সরকারি চাকুরেসহ জেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। সকালে মোসলেহ উদ্দীন ভুইয়া স্টেডিয়ামে আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।

পরে জেলা প্রশাসক ড. সুভাস চন্দ্র বিশ্বাস, পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত ডিআইজি আমেনা বেগম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মতিন ভুইয়া, নরসিংদী পৌর মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল বক্তব্য রাখেন।

নেত্রকোণা: সকাল ১০টায় জেলা শহরের মোক্তারপাড়ার মুক্তমঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্যদিয়ে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।একই সাথে জেলার ১০টি উপজেলা সদরেও আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়।

মিছিলে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, জেলা প্রশাসক মুশফিকুর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত রায়, পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান খসরুসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

ত্রিশাল: ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেসকো ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা, আনন্দ শোভাযাত্রা, চলচ্চিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার একই জায়গায় এসে শেষ হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু জাফর রিপন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম, ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা জাকিউর রহমান প্রমুখ।

নন্দীগ্রাম: সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসানের আয়োজনে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শোভাযাত্রায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশুকাতে রাব্বী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মন্ডল, ভাইস চেয়ারম্যান একে আজাদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস লিপি, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভপাতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান, কৃষি কর্মকর্তা মুশিদুল হক, নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

নাটোর: আনন্দ শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল, জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, নাটোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান খান, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজানসহ জেলা প্রশাসন, পৌর প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নাটোর রাজবাড়ি চত্বরে এসে শেষ হয়।

অপরদিকে বাগাতিপাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিহারকোল বাজার হয়ে পুনরায় উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।

এর আগে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। শোভাযাত্রায় নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সাংসদ আবুল কালাম, উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন বানু, বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গাইবান্ধা: ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেসকো ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় গাইবান্ধায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। এরমধ্যে মধ্যে ছিল আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, রচনা, কুইজ ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা। জেলা প্রশাসন এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

সকালে স্বাধীনতা প্রাঙ্গণ থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ।

পরে স্বাধীনতা প্রাঙ্গণে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সৈয়দ-শামস-উল আলম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, পৌর মেয়র শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন প্রধান প্রমুখ।

বাগেরহাট:  সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাগেরহাট শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়াম থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় স্টেডিয়ামে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মোজাম্মেল হোসেন এমপি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মীর শওকাত আলী বাদশা, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান টুকু, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. মামন উল হাসান, পুলিশ সুপার পঙ্কজ চনদ্র রায়সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।

পাকুন্দিয়া: সকালে একটি শোভাযাত্রা উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে পৌরসদর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. সোহরাব উদ্দিন এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনু, ইউএনও অন্নপূর্ণা দেবনাথ, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, পাকুন্দিয়া পৌর মেয়র আক্তারুজ্জামান খোকন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোতায়েম হোসেন স্বপন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মিসবাহ উদ্দিন প্রমুখ অংশ নেন।

পঞ্চগড়: জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে পঞ্চগড় সাকির্ট হাউস চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পমাল্য অর্পন করে এক বিশাল শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ধাক্কামরায় গিয়ে শেষ হয়।

পরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা হয়।

সভায় জেলা প্রশাসক অমল কৃষ্ণ মন্ডল, পুলিশ সুপার গিয়াস উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদত সম্রাটসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

বান্দরবান: বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। এর আগে বেলুন উড়িয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক।

সকালে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

বরগুনা: বরগুনায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. মোখলেছুর রহমানের নেতৃত্বে শনিবার সকাল ১১টায় বরগুনার স্থানীয় বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়।

বরগুনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ শোভাযাত্রায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের কয়েক হাজার ব্যক্তিবর্গ অংশ নেয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার আনন্দ শোভাযাত্রা, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকালে স্থানীয় লোকনাথ দিঘীরপাড় (টেংকেরপাড়) থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুছ মাখন পৌর মুক্তমঞ্চে আলোচনা সভা, ৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে প্রামাণ্য চিত্র ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি। জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, পৌর মেয়র নায়ার কবির, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার।

জামালপুর: সকাল ১০টায় জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বণার্ঢ্য এক শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে বৈশাখী মেলার মাঠে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালির পূর্বে জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শোভাযাত্রা উপলক্ষ বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি।

পরে মুক্ত মঞ্চে এক আলোচানা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের সভাপতিত্ব করেন।

ঝিনাইদহ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি উদযাপন উপলক্ষে ঝিনাইদহে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ হয়েছে।

এ উপলক্ষে সকালে শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অপর্ণ করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

জেলা প্রশাসক জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাই।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর সভার মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু।

কুড়িগ্রাম: সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামেও আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কলেজমোড়ে বিজয় স্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়।

লালমনিরহাট: লালমনিরহাটেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেসকো ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি উদযাপন করা হয়। সকালে জেলা হাইস্কুল খেলার মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।

এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।

খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়িতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভা যাত্রা ও ৭ মার্চের ভাষণের উপর প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

সকালে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ শেষে স্থানীয় সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভা যাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাউন হলে আলোচনা সভা ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণের উপর রচনা, কুইজ ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে  পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

নীলফামারী: নীলফামারীতে বের করা হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের হাইস্কুল মাঠ থেকে বের হওয়া র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও রাজনৈতিক দলের অন্তত ১০ সহস্রাধিক নারী-পুরুষ-শিশু অংশ নেয়।

রাজবাড়ী: রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আম্রকাননের সামনে থেকে এক বিশাল আনন্দ শোভা যাত্রা বের হয়। এতে স্থানীয় প্রশাসন, বিচার বিভাগ, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ ও স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ গ্রহণ করে।

শোভা যাত্রাটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে আবার আম্রকাননে এসে শেষ হয়।

এ সময় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ড. এ কে এম আজাদুর রহমানের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন রাজবাড়ী ১ আসন এমপি কাজী কেরামত আলী, সংরক্ষিত মহিলা এমপি কামরুন্নাহার চৌধুরী লাভলী, পুলিশ সুপার সালমা বেগম, পৌর মেয়র মহম্মদ আলী চৌধুরী, এনডিসি মো. তৌহিদুল ইসলামসহ প্রমুখ।

 

রাজশাহী: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উদযাপনে রাজশাহীতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রায় ঢল নামে অজস্র মানুষের।

শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকালে হাজারো মানুষের পদচারণায় তিল ধারণের ঠাঁই হারায় রাজশাহী মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র সাহেববাজার এলাকা।

সকাল ১০টায় নগরীর আলুপট্টি মোড় থেকে জেলা প্রশাসক হেলাল মাহমুদ শরীফের নেতৃত্বে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে সাহেববাজার হয়ে রাজশাহী কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এরপর আলুপট্টি মোড় থেকে একের পর এক শোভাযাত্রা গিয়ে মিলিত হয় কলেজ মাঠে। জেলা সদরের প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে এসব শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শোভাযাত্রায় সবার হাতে হাতে শোভা পায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ফেস্টুন এবং প্ল্যাকার্ড। মাইকে প্রচার করা হয় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এবং দেশাত্মবোধক গান।

পরে বেলা ১১টায় রাজশাহী কলেজ মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

এ সময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আমিনুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মাহাবুবর রহমান, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সমাজসেবী শাহীন আক্তার রেণী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মর্জিনা পারভিন, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ হবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শরীয়তপুর: শরীয়তপুরে আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মাহবুবা আক্তারের নেতৃত্বে এ র‌্যালি হয়।

এছাড়া জেলার ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা, গোসাইরহাট, নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলাতেও একই কর্মসুচি পালিত হয়।

মৌলভীবাজার: বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভের অসামান্য অর্জন উপলক্ষে মৌলভীবাজারে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।

সকালে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহরে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে পৌর জনমিলন কেন্দ্রে এসে শেষ হয়।

আনন্দ শোভাযাত্রায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেলা আওয়ামী লীগ, সাংবাদিক, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশু-কিশোর, জনপ্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশ নেয়।

(ঢাকাটাইমস/২৫নভেম্বর/এলএ/জেডএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত