সোমবার সরাইল যাচ্ছেন দীপু মনি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৫:০৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নন্দিত শিক্ষাবিদ, ভাষা সংগ্রামী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, মরহুম অধ্যক্ষ শেখ মো. আবু হামেদ স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিতে সোমবার সরাইল যাচ্ছেন পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি এম.পি।

আবহাওয়াসংক্রান্ত কারণে সরাইল শহীদ মিনার চত্বর এর বিকল্প ভেন্যু হিসেবে জেলা পরিষদ মিলনায়তনকে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠান শুরু হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, পার্বত্য চট্রগ্রাম সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা র,আ,ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী এম.পি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এম.পি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, মারুফা আক্তার পপি। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জেলা ও উপজেলা কমিটির নেতা-কর্মী, স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করবেন।

ভাষা সংগ্রামী ও মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ শেখ আবু হামেদের শিক্ষাবিস্তারে রয়েছে ঐতিহাসিক অবদান। তাঁর অনেক অবদানের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সরাইলের মাটিতে ১৯৭০ সালে সরাইল কলেজ প্রতিষ্ঠা। অন্যদিকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনও অনেক গৌরবময়। ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি ভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামে তৎকালীন ঢাকা কলেজ থেকে মিছিল নিয়ে আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে প্রথম সরাইল থানা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি ১৯৫৬ সালে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহুকুমা আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদকও ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের অধীন ত্রিপুরার নরসিংহগড় যুব শিবিরের পলিটিকেল ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত সরাইল কলেজ পরিদর্শন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দুই ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান চৌধুরী। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও তার কলেজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সে স্বপ্ন  পূরণ হয়নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারবর্গের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর তিনিই প্রথম সরাইলে এর প্রতিবাদ করেন এবং বঙ্গবন্ধু ও তাঁর আদর্শের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন।

১৯৭৮ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে সরাইলের কালীকচ্ছ কমিউনিটি হলের সামনে আয়োজিত জনসভায় তিনি সভাপতিত্ব করেন এবং বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন মোনাজাত পরিচালনা করেন।

(ঢাকাটাইমস/১০ডিসেম্বর/এসএএফ/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত