দক্ষিণ সিটিতে অতিরিক্ত হোল্ডিং ট্যাক্স কেন অবৈধ নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর ২০১৭, ২০:২৭

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় আইনে নির্ধারিত মডেল ট্যাক্সের চেয়ে অতিরিক্ত (অসামঞ্জস্যপূর্ণ) হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ট্যাক্স আদায়ের জন্য বিভিন্ন সময়ে জারি করা নোটিশের কার্যকারিতাও স্থগিত করেছে আদালত। এসব নোটিশ কেন বাতিল ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি এম ফারুকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার আদেশসহ এ রুল জারি করেন। স্থানীয় সরকার সচিব, ডিএসসিসি মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রাজধানীর খিলগাঁও এলাকার একশ চারজন বাসিন্দার করা এক রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।

আদালতে আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মো. মোক্তাদির রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম।

আইনজীবী মোক্তাদির রহমান জানান, আইনের বাইরে গিয়ে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে যেসব নোটিশ জারি করেছে তা চ্যালেঞ্জ করা হয়। আদালত এ নোটিশ কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। ট্যাক্স আদায়ের জন্য রিট আবেদনকারীদের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে জারি করা নোটিশের কার্যকারিতা স্থগিত করেছে আদালত।

তিনি জানান, মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (ট্যাক্সেশন) রুলস-১৯৮৬ অনুসারে পৌর কর্তৃপক্ষ শতকরা পাঁচ থেকে ১০ ভাগের চেয়ে বেশি কর আরোপ করতে পারবে না। এরপর এ আইনের অধীনে ২০১৫ সালে একটি গেজেট প্রকাশ করে সরকার। ওই গেজেটে ইমারত ও জমির উপর শতকরা সাত ভাগ, ময়লা নিষ্কাশন বাবদ সাত ভাগ, সড়ক বাতি বাবদ  পাঁচ ভাগ, পানি বাবদ তিন ভাগ এবং স্বাস্থ্য খাতে আট ভাগ ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়। সবমিলে শতকরা ৩০ ভাগ ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়।

মোক্তাদির রহমান আরও জানান, আইন অনুযায়ী প্রতিটি এলাকার বাড়ি ভাড়া নির্ধারণ করার পর তার বার্ষিক মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে ওই পাঁচটি খাতে ট্যাক্স নির্ধারণ করতে হবে। করপোরেশন আইন বহির্ভূতভাবে বিভিন্ন সময়ে ক্রমান্বয়ে তিনটি খাতে (ইমারত ও জমি, ময়লা নিষ্কাশন এবং সড়ক বাতি) খাতে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়িয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৩২০ ভাগ থেকে ৯৭৬ ভাগ পর্যন্ত বাড়িয়ে আদায় করছে।

আইন অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পরপর বাড়ি ভাড়া মূল্যায়ন করার কথা। কিন্তু তা করছে না কর্তৃপক্ষ।

(ঢাকাটাইমস/১০ডিসেম্বর/এমএবি/জেডএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আদালত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত