রোগীদের যৌন নির্যাতন: চিকিৎসকের ১২ বছর জেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারি ২০১৮, ১৬:৫০

চার মহিলাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক চিকিৎসককে ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ব্রিটেনের এক আদালত। চিকিৎসার নাম করে ওই মহিলাদের দিনের পর দিন যৌন নির্যাতন করে গিয়েছেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, যশবন্ত রাঠর নামে ৬০ বছর বয়সী ওই চিকিৎসক পশ্চিম মিডল্যান্ডের বাসিন্দা। তিন বছর বয়সেই দেশ ছেড়ে পাকাপাকিভাবে পরিবারের সঙ্গে ব্রিটেনে চলে আসেন তিনি। বর্তমানে ক্যাসেল মিডাওস সার্জারি নামক একটি সংস্থায় তিনি কর্মরত।

পুলিশ সূত্রে খবর, পশ্চিম মিডল্যান্ডে যশবন্তের যথেষ্ট নাম এবং পসার রয়েছে। তার পেশাদারিত্বের প্রশংসাও করেছেন অনেক রোগী। পুলিশ জানিয়েছে, এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়েই মহিলাদের নিজের চেম্বারে ডেকে পাঠাতেন যশবন্ত। তারপর চিকিৎসার নামে চলত যৌন নিগ্রহ।

অভিযোগকারিনীদের কথায়, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তাদের লাগাতার যৌন নির্যাতন করে গিয়েছেন যশবন্ত।

সাজা ঘোষণা করতে গিয়ে বিচারক মাইকেল চ্যালিনর জানিয়েছেন, নিজের জনপ্রিয়তা এবং খ্যাতির অপব্যবহার করেছেন যশবন্ত। তার চিকিৎসার বিদ্যারও অবমাননা করেছেন তিনি।

তার কথায়, ‘চিকিৎসার নামে একটা নোংরা কাজ চালিয়েছেন আপনি। নিজের বিকৃত যৌন চাহিদা পূরণের জন্য রোগীদের ব্যবহার করেছেন।’

মিডল্যান্ড পুলিশ জানিয়েছে, ওই চার মহিলা ছাড়াও চিকিৎসকের নামে অভিযোগ আসতে শুরু করেছে আরও নানা জায়গা থেকে। তদন্তকারী এক অফিসার মাইকেল থারগুড বলেছেন, ‘বিশ্বাস এবং খ্যাতির ভয়ানক অবমাননা হয়েছে। এরপর থেকে মানুষ আর চিকিৎসকদের বিশ্বাসই করতে চাইবে না।’

তবে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন যশবন্ত। তার দাবি, চিকিৎসার কারণেই মহিলাদের গায়ে হাত দিতেন তিনি। এটা ‘ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি’-র একটা অঙ্গ। যার সঙ্গে যৌন নির্যাতনের কোনও সম্পর্কই নেই।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

(ঢাকাটাইমস/১৯জানুয়ারি/এসআই)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
Close