পদ্মায় দ্বিতীয় স্প্যান বসেনি, বসবে মঙ্গলবার

নাদিম মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জ
| আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০১৮, ১৪:৪৯ | প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারি ২০১৮, ২০:১৩

দেশের সবচেয়ে বড় ও আলোচিত পদ্মাসেতুর দ্বিতীয় স্প্যান আজ বসার বিষয়ে আলোচনা থাকলেও তা হয়নি। শনিবার মুন্সিগঞ্জের মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে শরীয়তপুরের জাজিরার উদ্দেশে রওয়ানা নিতে যাচ্ছে দ্বিতীয় স্প্যান।

তিন হাজার ছয়শ টন ধারণ ক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ নামে ভাসমান ক্রেনের ওপর স্প্যানটি রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার জাজিরা পয়েন্টে ৩৮ ও ৩৯ নং পিলারের ওপর স্প্যানটি বসানো হবে বলে জানিয়েছেন পদ্মাসেতু নির্মাণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

এর আগে গেল বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্যদিয়ে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ নদীতে দৃশ্যমান হয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মূল প্রথম স্প্যান বসানোর দিন প্রতি মাসে একটি করে স্প্যান বসানোর আশা করা হয়েছিল। সেই হিসাবে এতোদিনে তিনটি স্প্যান বসে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় স্প্যান বসাতে গিয়ে নদীর তলদেশে গভীর কাদার স্তর পাওয়া যায়। আর এই জটিলতার সমাধানে সেতুর নকশায় পরিবর্তন আনার কাজ শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন পদ্মা নদীর মাটির লেয়ারের ভিন্নতার কারণে ১৪টি পিয়ার লোকেশনে পাইলের ডিজাইন চূড়ান্ত করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এ ধরনের বড় কাজে দেশ, বিদেশের বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পদ্মাসেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের জানান, শুক্রবার সকালে দ্বিতীয় স্প্যানটি ভাসমান ক্রেনে নেয়া হয়েছে। জাজিরায় সেতু দুটি পিলারের সামনে কাছে নিতে এটি শনিবার রওয়ানা হবে।

স্প্যানবাহী ভাসমান ক্রেনটি মাওয়া থেকে জাজিরা পয়েন্টে পৌঁছতে দুই থেকে তিন দিন লেগে যাবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। জানান, স্প্যানটি পৌঁছার পর ২৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুটি পিলারের বেয়ারিংয়ের ওপর একটি বসানো হবে।

মোট ৪২টি পিলারের মধ্যে পদ্মাসেতুতে বসবে ৪১টি প্ন্যান। এই সেতুর একেকটি স্প্যানের দৈর্ঘ ১৫০ লিটার।

এখন পর্যন্ত মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৫০ শতাংশ। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই বাকি কাজ শেষ করার লক্ষ্য ধরে কাজ করছে সরকার।

এখনও যে ৪০টি স্প্যান বসবে, তার মধ্যে মাওয়ার কুমারভোগে নয়টি স্প্যান তৈরি হয়েছে। চীনে এরই মধ্যে তৈরি হয়ে আছে ১২টি। আর বাকি ১৯টি স্প্যান চীনে তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।

২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর মূল সেতুর কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিজস্ব অর্থায়নে এটা দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প।

(ঢাকাটাইমস/১৯জানুয়ারি/প্রতিনিধি/ডব্লিউবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত