মির্জাপুরে গোড়াই স্কুলের শতবর্ষ পূর্তি উৎসব

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারি ২০১৮, ২২:১১

শিক্ষক অভিভাবক, বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের গোড়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ। বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উৎসব যেন নবীন-প্রবীণের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

শনিবার সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, একশ পাউন্ড ওজনের কেককাটা ও শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে শতবর্ষ পূর্তি উৎসবের উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার উত্তরসূরি ও শতবর্ষ উদযাপন পরিষদের সভাপতি ফিরোজ হায়দার খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি একাববর হোসেন এমপি। অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মোহাম্মদ নূরুল আমিন, পুলিশ সুপার মো. মাহাবুব হোসেন পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি আশরাফুল মোমিন খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফ খান, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল আজিজ, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম নয়া, টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মীর দৌলত হোসেন বিদ্যুৎ, আওয়ামী লীগ আশরাফ খান, সালাহ উদ্দিন ভূইয়া ঠান্ডু, সিরাজুল ইসলাম মাস্টার, খন্দকার আওলাদ হোসেন, লুৎফর রহমান, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মাহাবুবুল হক বিল্টু, প্রধান শিক্ষিকা কবিতা রায় প্রমুখ।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ বলেন, এই বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ বিদেশে যোগ্যতম আসনে বসেছেন। আজকের এই অনুষ্ঠানে তাদের অনেকে এসেছেন। দীর্ঘদিন পর তাদের দেখে যেন শৈশবে ফিরে গেছি। 

পঞ্চম শ্রেণির বর্তমান ছাত্র আকাশ জানায়, আমাদের এই বিদ্যালয় একশ বছর ধরে শিক্ষার আলো বিলি করেছে। শুনে গর্ববোধ করছি। আজ অনেক প্রবীণজন এসেছেন। তারাও এক সময় আমাদের মতো এই বিদ্যালয়ে পড়েছে জেনে খুবই ভালো লাগছে।

শতবর্ষ উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতাদের উত্তরসূরি ফিরোজ হায়দার খান জানান, তার তালই মরহুম হাজী আব্দুল মজিদ খান ও দাদা মরহুম মোমরেজ আলী খান ১৯১৮ সালে ৪০ শতাংশ জমির উপর এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন।

দিনব্যাপী স্মৃতিচারণ, দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজনসহ নানা অনুষ্ঠান শেষে বিকালে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

(ঢাকাটাইমস/২০জানুয়ারি/প্রতিনিধি/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত