ফরিদপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পিঠা উৎসব

ফরিদপুর প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারি ২০১৮, ১৯:৫৬

ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের কলেজ চত্বরে পিঠা উৎসব হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন নকশা আর ভিন্ন স্বাদের পিঠাপুলির আয়োজনে কলেজ প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে উঠে।

ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজন দিনব্যাপী এ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন কলেজের শিক্ষক প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান।

মেলায় বিভিন্ন স্টলে দশনার্থীদের জন্য অর্ধ শতাধিক বিভিন্ন ধরনের পিঠা উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে- চিতই, পুলি, ভাঁপা, দুধকুলি, ধুপি, রসপাকান, খড়েপাকান, ভাজা পিঠা, নকশা পিঠা, সিরিঞ্জ পিঠা, আদিপাকান, আপেল পিঠা, নাড়ু পিঠা, ডিম পিঠা, নারকেলের চিড়া, তারা পিঠা, পাটিসাপ্টা, সেমাই পিঠা অন্যতম।

পিঠার সমারোহে ভরে উঠে প্রতিটি স্টল। শুধু পিঠার স্বাদ আর নকশারই বৈচিত্র্য নয়, স্টলের নামের ক্ষেত্রেও ছিল ভিন্নতা।

শিক্ষার্থী জাকিয়া তাজিন অন্তর বলেন, আবহমান বাংলার ঐহিত্য সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পিঠা উৎসবের এই আয়োজন।

সাব্বির হোসেন বলেন, আজকের দিনটি একেবারে অন্যরকম। অনেক আনন্দের, হাজারো মানুষের মিলনমেলার দিন এটি।

দিনব্যাপী এই পিঠা উৎসবের আয়োজনে প্রতিটি স্টলে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় ছিল। শিশু-কিশোর, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অতিথি থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষ নিয়েছেন বিভিন্ন ভিন্ন পিঠার স্বাদ। হারিয়ে যাওয়া অনেক পিঠার আয়োজন ছিল এই উৎসবে।

আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজের শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, আগের দিনে গ্রামগঞ্জে হরেক রকম পিঠা তৈরি হতো। যান্ত্রিকতার যাতাকলে অবাহমান বাংলা থেকে পিঠার আয়োজন কিছুটা হলেও কমে গেছে। বিশেষ করে এ প্রজন্মের কাছে পিঠার আদি ঐহিত্য ছড়িয়ে দিতে এ আয়োজন আসলেই ভাল লেগেছে।

নারী নেত্রী শীপ্রা গোস্বামী বলেন, এই উৎসবের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বাহারি পিঠা-পুলির সাথে পরিচিতি লাভ করবে। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এ উৎসব আয়োজন করার কথা বলেন তিনি।

উৎসবে বন্ধু-বান্ধবীদের আড্ডা, পরিবারের লোকজনের একসঙ্গে বসে মনমাতানো সব পিঠার গন্ধ উপভোগ করা যেন নতুন এক মাত্রা এনে দিয়েছে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ চত্বর।

(ঢাকাটাইমস/২২জানুয়ারি/প্রতিনিধি/ওয়াইএ/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত