রংপুর সিটি নির্বাচন

নির্বাচনী খরচের রিটার্ন চেয়ে মেয়র-কাউন্সিলরদের ইসির চিঠি

রংপুর ব্যুরো, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৫:৪৯

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব মেয়র, কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনের খরচের রিটার্ন চেয়ে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তাদের রিটার্ন জমা দিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে সব খাতওয়ারি খরচের ভ্যাটের অর্থ ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিতে বলা হয়েছে।

গত ২১ ডিসেম্বর রংপুর সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সাত মেয়র প্রার্থী, ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে ২১১ জন কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ১১টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৫ জন নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি বিজয়ী মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নামে গেজেট প্রকাশ করে কমিশন। আর ১৮ জানুয়ারি মেয়রকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কাউন্সিলরদের শপথবাক্য পাঠ করান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেক মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীকে নির্বাচনে প্রচারণার মোট ব্যয়ের ওপর শতকরা ১৫ ভাগ টাকার ভ্যাট প্রদান করতে হবে। এছাড়া নির্বাচনে গাড়ি ব্যবহার করার জন্য গাড়ি ভাড়া বাবদ মোট টাকার শতকরা ১৫ ভাগ, পোস্টার বাবদ মোট ব্যয়ের ওপর শতকরা ১৫ ভাগ, কর্মীদের আপ্যায়ন ব্যয়ের মোট টাকার ওপর শতকরা সাড়ে ৭ ভাগ, গাড়ির জ্বালানি খরচের মোট ব্যয়ের শতকরা পাঁচ ভাগ টাকা ভ্যাট আকারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দিতে হবে। চালানের কপি রিটার্নের সঙ্গে অবশ্যই জমা দিতে হবে।

সূত্রটি আরও জানায়, মেয়র প্রার্থীদের জন্য নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া ব্যয়ের সীমা ১৫ লাখ এবং কাউন্সিলরদের এক থেকে দুই লাখ টাকার ওপরে খাতওয়ারি ব্যয়ের ওপর নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া ভ্যাট জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে মেয়র প্রার্থীকে প্রায় দুই লাখ টাকা এবং কমিশনার প্রার্থীকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকার সমপরিমাণ টাকা ভ্যাট আকারে জমা দিতে হবে।

রংপুর সিটি করপোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, আওয়ামী লীগ প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু এবং বিএনপি প্রার্থী কাওসার জামান বাবলার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এখনো চিঠি না পাওয়ার কথা জানান। তবে কমিশনের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ তারা।

এদিকে নির্বাচন কমিশন বলেছে, নির্বাচনী ব্যয়ের ওপর নির্দিষ্ট পরিমাণ ভ্যাট অবশ্যই জমা দিতে হবে। অন্যথায় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, সব প্রার্থীদের নির্বাচনী আয়-ব্যয় হিসাবের রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। সেক্ষেত্রে প্রত্যেক প্রার্থীকে তার ব্যয়ের মোট টাকার ওপর প্রয়োজনীয় পরিমাণ টাকার ভ্যাট দিতে হবে।

রংপুরের ভারপ্রাপ্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা শাহাতাব উদ্দিন ঢাকাটাইমসকে বলেন, প্রত্যেক প্রার্থীকেই রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় নির্বাচনের মোট ব্যয়ের খাতওয়ারি ভ্যাট জমা দেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রারি ডাকযোগে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকেই চিঠি পেয়েছেন বলে আমরা জানি। ফলে এসব নিয়ে কথা বলার কোনও সুযোগ নেই।

ঢাকাটাইমস/২৩জানুয়ারি/আরআই/এমআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত