একনেকে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৮:৫০ | প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৮:২১

‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন- ২০১২ বাস্তবায়ন (ভ্যাট অনলাইন) দ্বিতীয় সংশোধিত প্রকল্প’ অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা শেষে প্রকল্পগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ মোট ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পটির সম্পর্কে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, প্রকল্পটিতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯০ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ২৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ৪৪৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। প্রকল্পের সাহায্য প্রদানকারী সংস্থা বিশ্ব ব্যাংক। এটা বাস্তবায়ন করবে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) আওতায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। প্রকল্পটি ২০১৩ থেকে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত মেয়াদকালে বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্পের পটভূমি সম্পর্কে জানানো হয়- অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরন কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুল্ক ও আয়কর অনুবিভাগের অটোমেশন কার্যক্রম প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার পথে। এরই ধারাবাহিকতায় মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ (ভ্যাট অনলাইন) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্প এলাকা ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশ।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়, ভ্যাট আইনের ফাঁক–ফোকর দূর করে ভ্যাট রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য ভ্যাট প্রশাসনকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ বাস্তবায়ন; নতুন ভ্যাট আইনের সঙ্গে সংগতি রেখে ব্যবসা পরিচালনা সুলভ ও সহজতর; কর প্রদান করে না এমন ব্যক্তিদের সনাক্তকরণ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লেনদেন সক্ষমতা বৃদ্ধি; আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও সেবাভিক্তিক ভ্যাট প্রশাসন চালু করা; জ্ঞানভিত্তিক ভ্যাট প্রশাসন তৈরি; দেশে শিল্পায়নের দ্রুত প্রসার সহায়তা করা; সরকারি ও বেসরকারি খাতে ব্যবসা শুরুর সময় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে দক্ষতা বৃদ্ধি ও ব্যবসা পরিচালনা; অধিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বেসকারি খাতে অধিকতার বিনিয়োগ উৎসাহিতকরণ।

উল্লেখ্য, ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পটি ২০১৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদন করে একনেক। যেটা ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর একনেক বৈঠকে অনুমোদিত হয়। এ সময় মূল ব্যয় ছিল ৫৫১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার কথা ছিল ৪৮০ কোটি টাকা।

(ঢাকাটাইমস/২৩জানুয়ারি/জেআর/এমআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত