‘জয় মানুষ না হলে আত্মহত্যা করব’

বিনোদন ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:০০

আত্মহত্যা করবেন বলে ‘হুমকি’ দিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা অপু বিশ্বাস। তবে এখনই তিনি আত্মহত্যা করছেন না। ভবিষ্যতের জন্য এমন পরিকল্পনাই কষে রেখেছেন সুপারস্টার নায়ক শাকিব খানের স্ত্রী অপু। সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই জানিয়েছেন প্রায় ৮০টি ছবির এই নায়িকা।

এখনও নায়িকা অপুকে শাকিব খানের স্ত্রী বলা হলেও আর মাত্র তিনদিন পর থেকেই তারা আলাদা হয়ে যাবেন। আগামী ২২ ডিসেম্বর শাকিব কর্তৃক স্ত্রী অপুকে তালাকের নোটিশ পাঠানোর ৯০ দিন পূর্ণ হবে। আইনগত ভাবে ওইদিন থেকেই কার্যকর হবে তালাক। তখন অপুকে বলতে হবে শাকিবের প্রাক্তণ স্ত্রী। শুন্যস্থানটা হয়তো পূরণ করবেন অন্য কোনো নারী।

তবে তার আগেই গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বললেন নায়িকা অপু বিশ্বাস। সেখানে সন্তান হওয়ার জন্যই শাকিব তাকে তালাক দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। অপু বলেন, শাকিব কখনোই চাননি আমার গর্ভে তার সন্তান জন্ম নিক। শাকিব আমাকে এও বলেছিলেন, সন্তান হলে তালাক দেবেন। তখন সেটাকে কথার কথা মনে করেছিলাম। পরে ভুল করে যে জয় গর্ভে এসেছে তাকেও পৃথিবীর আলো দেখাতে চাননি শাকিব।’

সন্তান তো বড় হচ্ছে। তাকে ভবিষ্যতে কী হিসাবে দেখতে চান প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, ‘সংসারের নানা ঝামেলায় ওই রকম কোনো স্বপ্ন এখনও দেখিনি। তবে ইচ্ছে আছে, আল্লাহ যেন জয়কে মানুষের মতো মানুষ করার তৌফিক আমাকে দেন। যে মানুষটা আমার শ্বশুর-শাশুড়ি শাকিবকে করতে পারেননি। আমি যদি জয়কে সে রকম মানুষ না করতে পারি আল্লাহ যেন আমাকে ওই দিনই পৃথিবী থেকে উঠিয়ে নেন। না হলে আমি নিজেই আত্মহত্যা করব। কারণ, আমি আমার ছেলেকে মানুষ করতে পারিনি।’

সন্তান নিয়ে টিভির লাইভ অনুষ্ঠানে আসা প্রসঙ্গে অপু বলেন, ‘আমার কোনো উপায় ছিল না। আমি অনেক ভাবে শাকিবকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। বাচ্চার কথা বলেছি। শাকিব কোনো কিছুই মানতে রাজি ছিল না। তখন আমার নিজের কোনো স্বীকৃতি ছিল না। ছিল না আমার সন্তানের স্বীকৃতিও। একজন মা হিসেবে এর চেয়ে বেদনার আর কী হতে পারে। কোনো উপায় না দেখেই আমি গণমাধ্যমে এসে মুখ খুলেছি।’

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন অভিযোগ এনে গত ২২ নভেম্বর আইনজীবীর মাধ্যমে স্ত্রী অপু বিশ্বাসকে তালাকের নোটিশ পাঠান শাকিব খান। এরপর তারকা এ জুটির সংসার টেকাতে গত ১৫ জানুয়ারি সালিশি বৈঠক বসায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ডিএনসিসি অঞ্চল-৩ এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সালিশে অপু উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না শাকিব খান। তিনি অপুকে তালাক দেয়ার সিদ্ধান্তেই অটল থাকেন।

এরপর সম্প্রতি দ্বিতীয় সালিশি বৈঠক বসার কথা থাকলেও সেটার প্রয়োজন মনে করেননি অপু বিশ্বাস। তিনি শাকিবের দেয়া তালাকের সিদ্ধান্তই অবশেষে মেনে নেন। কাজেই, তালাকের নোটিশ পাঠানোর ৯০ দিনের মধ্যে যেহেতু কোনো সমঝোতা হয়নি, সেহেতু আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যাচ্ছে শোবিজ জগতের সবচেয়ে আলোচিত জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের।

ঢাকাটাইমস/১৯ফেব্রুয়ারি/এএইচ

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত