বেদনা ও গৌরবের একুশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৯:১০ | প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০২

আজ বুধবার শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে একই সঙ্গে বেদনার ও গর্বের। জাতিসংঘের উদ্যোগে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে ভাষাশহীদদের স্মরণে দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।

গৌরবের আলোয় উদ্ভাসিত মাতৃভাষা আন্দোলনের ৬৬ বছর পূর্ণ হলো আজ বুধবার। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি নিজের জীবন উদসর্গ করে ভাষাশহীদরা জাতিকে দিয়ে গেছেন এক মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার।

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র, যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ শাসকগোষ্ঠীর চোখ-রাঙানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে দৃপ্ত পায়ে রাজপথে নেমে আসে। সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে শহীন হন সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিক।

তাদের এই আত্মদানের মধ্য দিয়ে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলা ভাষা। মায়ের ভাষার মর্যাদা অর্জনের পাশাপাশি বাঙালি রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পায় নতুন প্রেরণা। আর এই বিজয়ের পথ বেয়ে সূচিত হয় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন যার পরিণতি একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

তাই একুশে ফেব্রুয়ারি শোকাবহ হলেও এর গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় পৃথিবীর বুকে অনন্য। বিশ্বে একমাত্র বাঙালি জাতিই ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে।

মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারিকে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়। এর পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পালিত হচ্ছে দিনটি।

আজ একুশের প্রথম প্রহরে রাজধানী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানান।  সারা দেশে শহীদ মিনারে চলছে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানো।

(ঢাকাটাইমস/২১ফেব্রুয়ারি/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত