‘খালেদাকে মুক্ত না করে ঘরে ফেরা যাবে না’

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২০:৪৭

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জনগণের ঘরে ঘরে গিয়ে স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার।

শুক্রবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ মাসদাইরে তৈমূর আলম খন্দকারের বাসভবনে মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীদের গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের এ নির্দেশনা দেন তিনি।

তৈমূর আলম খন্দকার নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত না করে ঘরে ফেরা যাবে না। যত বাধাই আসুক না কেন নেতাকর্মীদের তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আন্দোলন চালু রাখতে হবে। জনগণের ঘরে ঘরে যেতে হবে। দেশের মানুষ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চায়।’

তৈমূর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ পুনরায় বিনা ভোটে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে ও পুলিশ দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন করছে।’

তিনি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার এড়িয়ে নেত্রীর মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন আরও বেগবান করার আহ্বান জানান। তৈমূর নেতাকর্মীদের পাড়া মহল্লার ঘরে ঘরে গিয়ে নারী-পুরুষদের স্বাক্ষর সংগ্রহ ও জনমত গড়ে তোলার নির্দেশনা দেন।

বক্তব্য শেষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, বন্দর থানা, বন্দর উপজেলা ও নারায়ণগঞ্জ থানা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ উপস্থিত নেতাকর্মীদের কাছে গণস্বাক্ষর সংগ্রহের ফরম তুলে দেন।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের সভাপতিত্বে ও মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সানোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

তৈমূর আলম খন্দকার তার বক্তব্যে বিএনপি নেতা সুরুজ্জামান, মাসুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন, আকতার হোসেন অপু, মিজানুর রহমান, সেলিম মিয়া, মহসিন, কাউন্সিলর ইসরাফিল প্রধান, কাউন্সিলর কামরুজ্জান বাবুল, কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদ, বিএনপি নেতা বাবুল প্রধান, শরীফ, শাহীন, মোহাম্মদ হোসেন কাজল, মেয়র আবুল বাশার বাদশাহসহ কারাগারে থাকা সব নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করেন।

সভা শেষে ভাষা সৈনিক ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং শহীদদের রুহের মাগফেরাত ও বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য, মুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

আরও উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম, বন্দর পৌর বিএনপির সভাপতি নুর মোহাম্মদ পনেছ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আকতার হোসেন খোকন শাহ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মমতাজউদ্দিন মন্তু, জুয়েল প্রধান, জুয়েল রানা, বন্দর থানা যুবদলের সভাপতি আমির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী নওশাদ তুষার, বন্দর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

(ঢাকাটাইমস/২৩ফেব্রুয়ারি/প্রতিনিধি/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত