কাতারে আল নূর সেন্টারের ‘বাংলা ভাষা সন্ধ্যা’

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:১৪

মাতৃভাষা চর্চার মহৎ প্রয়াসে এক মনোজ্ঞ বাংলা ভাষা সন্ধ্যার আয়োজন করে আল-নূর কালচারাল সেন্টার কাতার।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দোহার বিন জায়েদ সেন্টারে সালেহ নুরুন্নবীর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আল-নূর উপদেষ্টা মীর হোসেন চৌধুরী।

প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামি শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুর রহমান আনওয়ারী।

অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ লেখক-সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নূর মুহাম্মদ, বাংলাদেশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক অধ্যাপক আবু শামা, আল-নূর সমাজকল্যাণ পরিচালক পেয়ার মুহাম্মাদ ও সমাজকল্যাণ সহকারী প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম।

কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন আল-নূর গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগীয় পরিচালক অধ্যাপক আমিনুল হক, সংস্কৃতি বিভাগের সদস্য কবি রাকিবুল ইসলাম ও কবি মফিজুর রহমান। নজরুলের ‘কাণ্ডারি হুঁশিয়ার’ কবিতার আরবি অনুবাদ করে শোনান কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মাওলানা নাইমুল হক।

ইকবালের ফার্সি কবিতা ‘মহানবীর অবদানের খণ্ডচিত্র’ এর বাংলা ভাষ্য উপস্থাপন করেন আল-নূর সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মাওলানা ইউসুফ নূর।

শিশুদের বর্ণমালা প্রতিযোগিতা ও কচি-কাঁচার আসর পরিচালনা করেন হেনা পারভীন ও লুৎফুননাহার। মহিলা কর্নারে বক্তব্য দেন মাওলানা মাহমুদা ও মাওলানা সায়েরা মাহমূদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা ইয়াহইয়া ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন হাফেজ আব্দুর রহমান মাশরুফ।

ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করেন মাওলানা জসিম উদ্দিন মাশরুফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আব্দুর রহমান আনওয়ারী বলেন, ‘বাংলা সাহিত্যকর্মের আরবি অনুবাদ দেশ ও জাতির মুখ উজ্জ্বল করবে।’

বাংলা কাব্যের সৌরভ বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে প্রতিভাবান তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক সভ্যতা ও সংস্কৃতিক পরিমণ্ডল গড়ে তোলার প্রধান মাধ্যম হচ্ছে অনুবাদ ও সাহিত্য বিনিমম। প্রবাসে এ জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আল-নূর কালচারাল সেন্টার প্রশংসার দাবিদার।

তিনি আরও বলেন, নুহ আ. এর প্রপৌত্র বঙ্গের নামে বাংলা ভাষার নামকরণ হয়। বাংলা পৃথিবীর প্রাচীনতম সমৃদ্ধ ভাষা। মাতৃভাষায় কথা বলা আমাদের মৌলিক ও ধর্মীয় অধিকার। এর স্বীকৃতি দিয়েছে আল কোরআন ও রাসুলের জীবনাদর্শ। অথচ পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আমাদের এ অধিকার কেড়ে নেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছে।

প্রধান অতিথি বলেন, ঘটা করে একুশ পালন করলেই বাংলা ভাষার দাবি পূরণ হবে না। সর্বস্তরে বাংলার প্রচলন ও নবপ্রজন্মকে মাতৃভাষায় দক্ষ করে তোলা সবার নৈতিক দায়িত্ব।

(ঢাকাটাইমস/২৬ফেব্রুয়ারি/জেবি) 

সংবাদটি শেয়ার করুন

প্রবাসের খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত