মৌচাকের সঙ্গে বসবাস!

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২২ মার্চ ২০১৮, ১১:৫১

ঝিনাইদহের একটি দুইতলা বাড়ির চারিপাশ জুড়ে বসেছে ২৫টি মৌমাছির চাক। দুইতলা বিশিষ্ট বাড়ির উপর নিচের ছাদে সারিবদ্ধ ভাবে সাজানো মৌচাকগুলো। প্রতি মুহূর্তে হাজার হাজার মৌমাছির আনাগোনা। আপন মনে মধু সংগ্রহ করে ফিরছে চাকে মৌমৈাছিগুলো। মৌচাক দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয়রা। 

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের কৃষক মনিরুদ্দীন কাজীর বাড়িতে বাসা বেঁধেছে মৌমাছি। বাড়ির মালিক বা প্রতিবেশিদের কাউকে কামড় দেয় না তারা। বাড়ির মালিক মনিরুদ্দীন কাজী জানান, তার বাড়িটি তৈরি  করার পর থেকে একটি দুইটি করে মৌচাক বসতে থাকে। গত ৫ বছর ধরে ২২ থেকে ২৫টি মধুর চাকে মৌমাছিগুলো বসবাস করছে। বৈশাখ ও জৈষ্ঠে্যর খরতাপে ফুল ও পানি স্বল্পতার কারণে ৮ থেকে ১০টি মৌচাক থাকে। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস আসলে এ সংখ্যা বেড়ে যায়। তখন ২০ এর অধিক মৌচাক তৈরি হয়। মনিরুদ্দীনের স্ত্রী মোমেনা খাতুন জানান, নিচতালার ঘরের ঢোকার পথেও মৌমাছিরা বসতে চায়। কিন্তু বাচ্চাদের হুল  ফুটাতে পারে এমন আশঙ্কায় আমরা বসতে দেই না। তা নাহলে হয়তো গোটা বাড়িটাই মৌচাকে ভরে যেতো।

বাড়ির গৃহবধু  রেবেকা খাতুনও জানালেন একই কথা। তাদের বাড়ির এই মৌচাক দেখতে  প্রতিদিনিই ভিড় করছেন পথচারীরা।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা বন কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দীন মুকুল বলেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও মৌমাছিদের জায়গা দিতে পারলে ব্যবসায়িকভাবে সফল হতেন কৃষক মনিরুদ্দীন। এ থেকে তিনি খাটি  মধুও বিক্রি করে লাভবান হতেন।

উৎপাত না থাকায় মৌমাছিরা নিরাপদ ভেবেই ওই বাড়িতে বাসা বেধেছেন বলে মত দিয়েছেন তিনি।

ঢাকাটাইমস/২২মার্চ/প্রতিনিধি/ওআর

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত