নারীর অবস্থান নিয়ে উপন্যাস ‘সুদূরে দিগন্ত’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০১৮, ২১:৪৫ | প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল ২০১৮, ২১:৩৩

উনিশ শতক থেকে একুশ শতক। নারীর সামগ্রিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে কতটা। আর স্বতন্ত্র মানুষ হিসেবে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা হয়েছে কতটা। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবার এক নিরন্তর প্রচেষ্টা ‘সুদূরে দিগন্ত’।

এভাবেই নিজের প্রথম উপন্যাস  ‘সুদূরে দিগন্ত’সম্পর্কে বললেন মেহেরুন্নেছা রোজী।

মেহেরুন্নেছা রোজী বলেন, ‘সুদূরে দিগন্ত’ নারী আন্দোলন কিংবা নারীমুক্তির ইতিহাস নয়। কোনো ঐতিহাসিক উপন্যাসও নয়।  ভাগ্যচক্রে পাগলি খালা তার হবু স্বামীর হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গের কোনো এক অজ পাড়াগাঁ থেকে বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং ফকিরচাদের গৃহে ঠাঁই নিয়েছিলেন, -এইটুকুই এই উপন্যাসের একমাত্র সত্য। এই উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র কাল্পনিক। গল্পে পাগলি খালা বর্তমান কাল হিসেবে নয়। বরং কখনো বুড়ি আবার কখনো অরুন্ধুতির জবানিতে উপস্থিত হয়েছে। তাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছে।

রোজী বলেন, একারণেই পাঠককে কখনো উনিশ শতকের মধ্যভাগে। কখনো বিশ শতকের শেষভাগে, আবার কখনো বা একুশ শতকের দোরগোড়ায় দাঁড়াতে হবে বারংবার। আর এই দীর্ঘ সময়ের সঙ্গে চলতে চলতে পাঠকহৃদয়ে প্রশ্ন জাগতেই পারে শৈশব, কৈশোর, যৌবন এমনকি জীবনের শেষবেলা যে বার্ধক্য। এইসব প্রতিটি ধাপে পাগলি খালা ও ‘অরুন্ধুতির’ যেপথ পরিক্রমা তা লেখকের গল্পকথা? নাকি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে নারীর জীবনে ঘটে যাওয়া সত্যগাঁথা?

‘সুদূরে দিগন্ত’ ২০১৮ সালে প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশক-দেশ পাবলিকেশন্স। প্রচ্ছদ ধ্রুব এষ। বইয়ের মূল্য ৭০০ টাকা।

বইটি পাওয়া যাচ্ছে ঢাকায় পাঠক সমাবেশ, বাতিঘর, পূর্বপশ্চিমে। আর চট্টগ্রামের বাতিঘর লাইব্রেরিতে।

লেখক পরিচয়

মেহেরুন্নেছা রোজীর জন্ম ১৯৭৬ সালে। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে যশোরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন। দীর্ঘদিন একটি উন্নয়ন সংস্থায় উন্নয়নকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। রোজীর স্বামী মনিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক।

(ঢাকাটাইমস/২১এপ্রিল/জেআর/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

সাহিত্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত