‘সহসা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা নেই’

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
| আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৮, ২২:৪৭ | প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৬:৪৪

মিয়ানমারে থেকে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শিগগিরই শুরু হচ্ছে না বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা সইয়ের পরও সংস্থাটিকে রাখাইনে প্রবেশ করতে দেয়নি মিয়ানমার।

বারবার যোগাযোগ করলেও দেশটির পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পায়নি জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক এ দূতাবাস। সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশ যথেষ্ট করেছে, প্রত্যাবাসন শুরুর আসল দায়িত্ব এখন মিয়ানমারের।

শুরু থেকেই রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় কূটনৈতিক তৎপরতায় জোর দেয় বাংলাদেশ। দুই দেশের সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ২৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা। অথচ এপ্রিল পেরিয়ে যাচ্ছে, তবুও এ ব্যাপারে মিয়ানমারের কোনও গা নেই। এরই মধ্যে এ কাজে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইউএনএইচসিআর। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য তালিকা তৈরি থেকে যাছাই-বাছাই, রাখাইনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে শরণার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার কথাও তাদের। সে জন্য সংষ্থাটির জন্য জরুরি হলো মিয়ানমারে স্বাধীনভাবে তথ্য জোগাড় করা। তবে মিয়ানমার সরকার এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের এ সংস্থাটিকে রাখাইনে ঢুকতেই দেয়নি।

ইউএনএইচসিআরের ঢাকা প্রতিনিধি অ্যানড্রু মবোগরি জানিয়েছেন, ইউএনিএইচসিআরের তরফে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে বহুবার যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু দেশটির পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। তাদের (মিয়ানমার) সহযোগিতা না পেলে তথ্য জোড়াড় করা অসম্ভব।

বাংলাদেশের সঙ্গে সই হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী, দিনে তিনশ করে সপ্তাহে পাঁচদিন প্রত্যাবাসন হওয়ার কথা। বাংলাদেশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও মিয়ানমার এখনো তা শুরু করতে পারেনি। আর সঠিক তথ্য না পাওয়ায় প্রত্যাবাসন কবে নাগাদ শুরু হবে, সেটি নিয়েও শঙ্কায় ইউএনএইচসিআরের।

সংশ্লিষ্টদের অনেকেরই আশঙ্কা, নানা অজুহাত তালবাহানায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও দেরি করবে মিয়ানমার। তাই দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার তাগিদ জাতিসংঘের।

বর্তমানে বাংলাদেশের কক্সবাজারের বিভিন্ন শিবিরে প্রায় এগারো লাখ রোহিঙ্গা আশ্রিত। এ বিপুল শরণার্থীর ভারে জর্জরিত ওই এলাকা। এর মধ্যে কেবল ২০১২৭ সালের ২৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে এসেছে আট লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

(ঢাকাটাইমস/২৬এপ্রিল/ডিএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত