সরকারি গাছ কেটে নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

মাগুরা প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ০৯ মে ২০১৮, ১৬:৩২

মাগুরা সদর উপজেলার চেঙ্গারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৩টি গাছ কেটে নিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। স্কুল বন্ধের সময় তিনি গাছ কেটে নেন।

ওই স্কুলের শিক্ষিকা বিভাবতী রায় বলেন, ১৯৮৬ সালের আমি এ স্কুলে যোগদান করি। সে সময় এ জমিটি আমার শ্বশুর স্কুলকে দান করেন। স্কুলের এ গাছগুলো আমার নিজ হাতে লাগানো। গাছগুলির ছায়ায় স্কুলের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা খেলাধুলা করতো। অনেক সময় গরমে গাছের নিচে বসে শিক্ষার্থীতের পাঠদানও করা হতো। কিন্তু চেয়ারম্যান মহব্বত আলী তার সহযোগী একই গ্রামের বিদ্যুৎ রায়কে দিয়ে গ্রীষ্মের ছুটির মধ্যে দুইটি বাবলা গাছ কেটে নিয়ে গেছেন। রেইনট্রি কড়াই গাছটি পুলিশি বাধার মুখে তিন  নিতে পারেনি।”

প্রধান শিক্ষক নুর আলী বিশ্বাস জানান, স্কুল বন্ধ থাকায় ১দিন পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। তৎক্ষণাৎ আমি সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ এসে গাছ নিতে বাধা দেয়। এর আগেই দুইটি গাছ এখান থেকে নিয়ে  যাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে বেরইল পলিতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহব্বত আলীর  সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গাছটি স্কুলের নয়। রাস্তা করার জন্য গাছগুলো কেটে ফেলেছি। সরকারি গাছ কোন প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়া কেটে নেয়ার এখতিয়ার আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, তবে দুই-তিনটি গাছ কাটার জন্য অনুমোদন করাতে গেলে অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার, সে কারনে আমি গাছগুলো বিদ্যুৎকে বিক্রি করতে বলেছি। এই গাছ বিক্রির টাকার সঙ্গে আরও কিছু টাকা দিয়ে স্কুলের দেয়াল করে দেব।”

মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সরকারি সম্পত্তি কেউ আত্মসাৎ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

(ঢাকাটাইমস/০৯মে/প্রতিনিধি/ওআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত