বৃহস্পতিবার রমজান শুরুর সম্ভাবনা কম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৫ মে ২০১৮, ২২:৩১ | প্রকাশিত : ১৫ মে ২০১৮, ২২:২৫
ফাইল ছবি

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে মঙ্গলবার পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকে।

সৌদি আরব থেকে আমাদের প্রতিনিধি আমীর চারু বাবলু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাধারণত সৌদি আরবের পরদিন আমাদের দেশে রমজান ও ঈদের চাঁদ দেখা যায়। সে হিসেবে আগামীকাল বুধবার বাংলাদেশের আকাশেও চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কম। বুধবার চাঁদ দেখা না গেলে শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। শুক্রবার থেকে শুরু হবে পবিত্র রমজান।

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা বুধবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪৩৯ হিজরি সনের পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা এবং তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে বুধবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭ ও ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১ অথবা অন্য কোনো উপায়ে জানানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবির আহ্বান

দেশের সব মসজিদে খতম তারাবি পড়ার সময় একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের প্রায় সব মসজিদে খতম তারাবিতে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তেলাওয়াতের রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনো কোনো মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের মধ্যে কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি মানসিক অতৃপ্তি ও অতুষ্টি অনুভূত হয়। কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন।

এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে পবিত্র রমজানের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা হিসাবে নয় পারা এবং বাকি ২১ দিনে এক পারা হিসাবে ২১ পারা তেলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল কদরে কোরআন খতম করা সম্ভব।

এর আগে বিষয়টি নিয়ে দেশবরেণ্য আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও খতিব-ইমামদের সঙ্গে আলোচনা হলে তারাও এ পদ্ধতিতে খতম তারাবি পড়ার পক্ষে অভিমত দেন এবং সে মোতাবেক অধিকাংশ মসজিদে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় বলে জানায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

(ঢাকাটাইমস/১৫মে/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

ইসলাম বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত