গাজীপুরে ভোটের তদারকিতে আ.লীগের আট দল

তানিম আহমেদ, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২০ মে ২০১৮, ২৩:২৮ | প্রকাশিত : ২০ মে ২০১৮, ২০:১৩

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচার এবং দলের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য আটটি থানায় আটটি দল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

দলগুলোর সমন্বয় করবেন ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। নির্বাচনের সব কর্মকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার জন্যও তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

গত ১৫ মে খুলনার পাশাপাশি ভোট হওয়ার কথা ছিল গাজীপুরেও। কিন্তু সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম আজহারুল ইসলাম সুজুরের কারণে ভোট পিছিয়ে যায়। ভোটের নয় দিন আগে ৬ মে হাইকোর্ট এই নির্বাচনে তিন মাসের স্থগিতাদেশ দিলেও চার দিন পর তা আপিল বিভাগ তুলে নেয়। কিন্তু ১৮ মে থেকে রোজা শুরু হওয়ায় নির্বাচন কমিশন এই মাসে আর ভোট করবে না। আগামী ২৬ জুন ভোটের নতুন তারিখ ঘোষণা হয়েছে।

স্থগিত নির্বাচনে প্রচার শুরু হবে ১৮ জুন থেকে। তবে তার আগের এক মাস হাত গুটিয়ে রাখতে চায় না আওয়ামী লীগ। আনুষ্ঠানিক প্রচারে না নামলেও জনসংযোগ চালিয়ে জনমত গঠন করার চেষ্টা করতে চায় তারা।

এ নিয়ে কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে রবিবার গাজীপুরের টঙ্গীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেলের বাসায় বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

এতে আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী, গাজীপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, গাজীপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান, মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

একাধিক নেতা জানান, ঈদের পরে ভোটের প্রচার শুরু হবে। রমজানে কীভাবে সাংগঠনিক অবস্থা আরও সচল করা যায় এ সমস্ত বিষয় নিয়েও কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের কোন্দল মিটিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়ানোসহ বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

রমজানে ঘরোয়াভাবে ইফতার পার্টি ও সেহরি পার্টি করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত একজন নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা এতদিন বন্ধ ছিল। আমরা ঘরোয়াভাবে বৈঠক করে আগামী নির্বাচনের আমাদের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করেছি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রচার-প্রচারণায় যাতে আরও বেশি অংশ নেন। সেই বিষয়গুলো আজকের বৈঠেকে আলোচনা হয়েছে।’

আজমত উল্লাহ খান বলেন, ‘বৈঠকে খুলনা সিটি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গাজীপুর সিটি নির্বাচন উপলক্ষে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানের জন্য কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।’

জানতে চাইলে ফারুক খান বলেন, ‘আমরা মিটিং করেছিলাম, গাজীপুরের নির্বাচনের সর্বশেষ পরিস্থিতি কী, সেখানে কী সমস্যা রয়েছে, আগামী দিনের প্রচার প্রচার কীভাবে হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

(ঢাকাটাইমস/২০মে/টিএ/ডব্লিউবি/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত