চিংড়ি খাতে ই-ট্র্যাজেবিলিটি পদ্ধতি চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ মে ২০১৮, ১৯:০১

আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ি রপ্তানি বাড়াতে প্রথমবারের মতো এই খাতে ই-ট্র্যাজেবিলিটি পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ।

সোমবার খুলনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রাইসুল আলম মন্ডল চিংড়ি খাতে ই-ট্র্যাজেবিলিটি পদ্ধতির উদ্বোধন করেন।

পাইলট প্রজেক্টের আওতায় খুলনার ফাহিম অ্যাকুয়া ফার্ম লিমিটেড, দেশ বাংলা হ্যাচারী, ফাহিম সি ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড ফার্মিং লিমিটেডে ই-ট্র্যাজেবিলিটি সিস্টেম গড়ে তোলার প্রথম পরীক্ষা শুরু করা হয়।

বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিস ফাউন্ডেশনের দলের প্রধান সৌরভ ইসলামকে ই-ট্র্যাজেবিলিটি সিস্টেমের পাইলট প্রজেক্টের হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

চিংড়ি খাতে ই-ট্র্যাজেবিলিটি সিস্টেমের উদ্বোধন করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রাইসুল আলম মন্ডল বলেন, ‘বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে উৎপাদিত চিংড়ির ভাল মান নিশ্চিত ও ভবিষ্যতে রপ্তানী বৃদ্ধির জন্য ই-ট্র্যাজেবিলিটি সিস্টেম বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।’

‘বাংলাদেশে ই-ট্র্যাজেবিলিটি সিস্টেমের সূচনা ও স্কেলিংয়ে সফল হলে বিদেশে চিংড়ির রপ্তানী বাড়বে। এবং বাংলাদেশের পণ্যগুলি আর্ন্তজাতিক বাজারে কার্যকরভাবে বিক্রি করার পাশাপাশি প্রতি ইউনিট পণ্যের গুণগত মানও বাড়বে।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার চিংড়ি খাতের উন্নয়নের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ই-ট্র্যাজেবিলিটি সিস্টেমের সূচনাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। যাতে বাংলাদেশে উৎপাদিত চিংড়ি উৎপাদনের স্তর থেকে ক্রেতাদের কাছে পৌছানো পর্যন্ত হ্যাচারি, পুকুর, সংগ্রহ কেন্দ্র এবং প্রসেসিং প্লান্টসহ যেকোন স্থানে পণ্যের নিরাপত্তা এবং যেকোন সমস্যা সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।’

ই-ট্র্যাজেবিলিটি সিস্টেমের সূচনা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো: গোলদার হোসেন, বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদুল হক, বিএসএফএফের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. মাহমুদুল করিম, বিএসএফএফের উপদেষ্টা এবং পরিচালক রাষ্ট্রদূত শফি ইউ আহমেদ।

(ঢাকাটাইমস/২১মে/এনআই/ডিএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত