চারশ মণ আম ও ৪৮৬ কাঁদি কলা ধ্বংস

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ মে ২০১৮, ২২:২৯

রাসায়নিকে আম ও কলা পাকানোর অভিযোগে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে অভিযান চালিয়ে আবার বিপুল পরিমাণ ফল ধ্বংস করল ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ধ্বংস করা আমের পরিমাণ চারশ মণ আর কলার পরিমাণ ৪৮৬ কাঁদি। এ সময় একজনকে ছয়মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

সোমবার দুপুরে এই অভিযান চালান ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমান।

বেলা দেড়টার দিকে কাওরান বাজারের ফলের মার্কেটে যায় আদালত। এ সময় অপরিপক্ক আম রাসায়নিক দিয়ে পাকানোর প্রমাণ পাওয়া যায় বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট।

মশিউর রহমান বলেন, ‘আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে সব ফল ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে কার্বাইড মিশ্রিত আম ও কলা জব্দ করে সেগুলো নষ্ট করা হয়। এ সময় একটি কলা বিক্রেতাকে আটকে করে ছয় মাসের জেল দেওয়া হয়।’

এর আগে গত ১৫ মে কারওয়ান বাজারে ফলের আড়তে অভিযান চালিয়ে ৪০০ মণ আম ধ্বংস করে র‌্যাব। সেখানেও ইথোফেন হরমোন স্প্রে করার দায়ে আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে (সর্বনিম্ন ১ মাস ও সর্বোচ্চ ৩ মাস) কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এরপর ১৭ মে যাত্রাবাড়ীতে ফলের আড়তে এক হাজার মণ এবং ১৯ মে মিরপুরের ফল আড়তে অভিযান চালিয়ে এক হাজার দুইশ মণ আম ধ্বংস করে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

তবে এতদিন এই অভিযান চালানো হয়েছে নির্ধারিত সময়ের আগে আম পেড়ে ঢাকায় বিক্রির জন্য নিয়ে আসার অভিযোগে। এসব আম অপরিপক্ক ছিল এবং তা ইথোফেন নামক হরমোন দিয়ে পাকানোর কথা জানানো হয়।

তবে রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম পাড়ার নির্ধারিত সময় এসে গেছে। রবিবার পাড়া আম ঢাকায় পাঠিয়েও দেয়া হয়েছে। এর পরেও এই অভিযান চালালো পুলিশ।

মূল্যতালিকা না থাকায় জরিমানা

এর আগে বেলা ১২টার দিকে পণ্যের মূল্যতালিকা না থাকা ও দোকানের বাইরে পণ্যের পসরা বাসানোর অভিযোগে কাওরান বাজারের নয়টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম অজিয়র রহমান এই আদালত পরিচালনা করেন।

অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট জানান, পাঁচটি মুদি দোকানে পণ্যের মূল্যতালিকা টাঙ্গানো ছিল না। তারা নিজেদের মতো করে পণ্য বিক্রি করছিল।

এছাড়া দুইটি মুরগির দোকানে বেশি দাম রাখা ও দুইটি হার্ডওয়ারের দোকানি দোকানের বাইরে পণ্য বিক্রি করছিলেন।

এর মধ্যে ৪০ হাজার টাকা নগদ আদায় করা হয়েছে। বাকি ১৭ হাজার টাকা আদায়ে সময় নিয়েছেন তিন জন দোকানি। একজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি টাকা দিতে না পারলে সাতদিনের কারাদণ্ড দেয়া হবে।

ভেজাল অবৈধ গাড়ি পার্কিং ও পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙ্গানো না থাকার জন্য এই অভিযান অব্যহৃত থাকবে বলেও জানান ম্যাজিস্ট্রেট অজিয়র রহমান।

ঢাকাটাইমস/২১মে/এসএস/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত