তদন্তেই সত্য বের হবে: একে আজাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২২ মে ২০১৮, ২০:১৭ | প্রকাশিত : ২২ মে ২০১৮, ১৫:৩৩

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও হাজার কোটি টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ নিয়ে কিছু বলতে রাজি নন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ। তিনি আস্থা রাখছেন দুদকের অনুসন্ধানে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা এই ব্যবসায়ী নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলে দুদকে। তার সঙ্গে কথা বলেন সংস্থাটির পরিচালক (অনুসন্ধান কর্মকর্তা) মীর মো. জয়নুল আবেদিন শিবলী।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদক থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এ কে আজাদ। তবে তিনি খুব বেশিক্ষণ কথা বলেননি।

তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘আমাকে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক ডেকেছিল। আমি আমার বিষয়ে দুদককে সব বলেছি। তদন্তেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। আলাদাভাবে বলার মতো এখানে কিছু নেই।’

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ষড়যন্ত্রমুলক বলে মনে করছেন কি না, এমন প্রশ্নে আজাদ বলেন, ‘তদন্তাধীন বিধায় এ বিষয়ে এখন মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।’

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে নামা দুদকের তলবের তৃতীয় তারিখে হাজির হলেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

এই ধনকুবেরের দুদকে আসার কথা ছিল গত ৩ এপ্রিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আসেননি তিনি। নির্ধারিত দিনে তার দুই জন আইনজীবী দুদকে এসে জানান, চিকিৎসা করাতে তাদের মক্কেল যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন।

তবে ২১ মার্চ তলবের নোটিশ দেয়ার পর বিদেশ যাত্রার আগে দুদককে কিছু জানিয়ে যাননি আজাদ। সেদিন তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করলে ৯ মে জিজ্ঞাসাবাদের নতুন তারিখ দেয় দুদক।

দ্বিতীয় দফার তলবেও আসেননি ব্যবসায়ী এই নেতা। এদিন তিনি জানান, বিদেশি ব্যবসায়ীর সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত আলোচনা থাকায় তার পক্ষে হাজির হওয়া সম্ভব নয়।

দ্বিতীয় দফা সময় আবেদনের পর ২২ মে আবার আজাদকে হাজির হতে সময় বেঁধে দেয়া হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের আগের আমলে ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআই এর সভাপতি হওয়া আজাদ সরকার সমর্থক ব্যবসায়ী হিসেবেই পরিচিত।

চলতি বছরের শুরুতে এই ব্যবসায়ী নেতার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও হাজার কোটি টাকা কর ফাঁকির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়ে দুদকে। প্রাথমিক যাচাই বাছাই শেষে কমিশন অভিযোগটি আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ মার্চ দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদিন শিবলী স্বাক্ষরিত এক নোটিশে আজাদকে তলব করা হয়।

তার আগের দিন অনুমোদন ছাড়া বাড়ি নির্মাণের অভিযোগে আজাদের গুলশান-২ এর ৮৬ নম্বর সড়কের এক নম্বর বাড়িটি ভেঙে দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউক।

তৈরি পোশাকের ব্যবসা দিয়ে প্রতিষ্ঠা পাওয়া আজাদ হা-মীম গ্রুপের বস্ত্র, প্যাকেজিং, পাট, চা, রসায়ন, পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে এই গ্রুপের ব্যবসা ছড়িয়ে আছে।

গণমাধ্যমেরও মালিকানা রয়েছে এই ব্যবসায়ী গ্রুপের। দৈনিক সমকালের পাশাপাশি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের মালিকানাও আছে এ কে আজাদের।

(ঢাকাটাইমস/২২মে/এএকে/ডব্লিউবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত