টিপস

কেমন হেডফোন কিনবেন

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, ঢাকটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৩ মে ২০১৮, ১৪:১৯

গান শোনার জন্য এখন শুধু হেডফোন ব্যবহৃত হচ্ছে না। কথা, বলা, অডিও-ভিডিও চ্যাটের জন্যও হেডফোন দরকার। সকলের পছন্দের হেডফোন একই রকমের নাও হতে পারে। আসুন দেখে নেওয়া যাক নতুন হেডফোন কেনার সময় কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখা উচিৎ।

বাজারে দুই ধরনের হেডফোন পাওয়া যায়। ফুল সাইজ হেডফোন ও ইয়ার ফিটিং হেডফোন। প্রথমে আপনার নিজেকে প্রশ্ন করা প্রয়োজন কেন একটি হেডফোন প্রয়োজন আপনার? গান শোনা যদি আপনার হেডফোন কেনার মুখ্য উদ্দেশ্য হয় তবে আপনি কিনতে পারেন এই ফুল সাইজ বা ইন ইয়ার হেডফোন।

ইন ইয়ার হেডফোনে বাইরের আওয়াজ কানে কম আসে। তাই নয়েজ ক্যান্সেলেশন যদি আপনার মুখ্য উদ্দেশ্য হয় তবে আপনি দেখে নিতে পারেন ইন ইয়ার হেডফোন। 

মানুষ ২০ হার্জ থেকে ২০০০ হার্জ পর্যন্ত তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আওয়াজ শুনতে পারে। আপনি যদি হেডফোনে বেশি বেজ চান তবে এমন হেডফোন খুঁজুন যার ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জের নিচের লিমিট কম। আর ২০০০০ হার্জের বেশি ফ্রিকোয়েন্সির হেডফোন কেনার কোন কারণ নেই। কারণ মানুষ সেই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আওয়াজ শুনতে পায় না। ইম্পিডেন্স যেকোন হেডফোন যে প্লেয়ার থেকে চলছে সেই প্লেয়ার থেকেই ইলেক্ট্রিক কারেন্টের মাধ্যমে চলে। হেডফোনের পাওয়ার সোর্স অবশ্যই প্লেয়ার।

ইম্পিডেন্স হচ্ছে এই ইলেক্টিক কারেন্টের রেসিস্ট্যান্টের পরিমাপ। অর্থাৎ ইম্পিডেন্স ভ্যালু কম হলে বেশি জোরে আওয়াজ শোনা যাবে সেই হেডফোনে। 

যদিও মাথায় রাখা প্রয়োজন হাই ইম্পিডেন্স হেডফোনের নিজস্ব সুবিধা রয়েছে। এই হেডফোনে জোরে আওয়াজ দিলেও আওয়াজ ফেটে যাওয়ার সুযোগ কম। প্রফেশানাল অডিও মিক্সিং এর জন্য হাই ইম্পিডেন্স হেডফোন বেশি ভালো। 

ম্যাগনেট টাইপ ফেরিট ও নিওডিমিয়াম প্রধাণত এই দুই ধরনের ম্যাগনেট ব্যাবহার হয় হেডফোনে। যদি পকেট সায় দেয় চেষ্টা করুন নিওডিমিয়াম ম্যাগনেটের হেডফোন কিনতে। একই চুম্বকত্ব থাকলেও নিওডিনিয়াম ম্যাগলেটের ওজন ফেরিটের থেকে অনেকটাই কম হয়। এর ফলে অনেকটাই কমে যাবে আপনার হেডফোনের ওজন।

(ঢাকাটাইমস/২৩মে/এজেড)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত