ঈদ আনন্দে যুক্ত হলো দ্বিতীয় তিস্তা সেতু

রাহেবুল ইসলাম টিটুল, লালমনিরহাট
 | প্রকাশিত : ১৭ জুন ২০১৮, ১৬:১৮

দ্বিতীয় তিস্তা সেতু খুলে দেয়ার পর থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থায় অধিকতর উন্নয়ন ঘটে। বুড়িমারী স্থলবন্দরের সঙ্গে রাজধানী ঢাকা ও বিভাগীয় শহর রংপুরের দূরত্ব কমিয়ে আনার জন্যই তিস্তা নদীর উপর ‘কাকিনা-মহিপুর’ ঘাটে দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণ করছে সরকার।

ঈদের ছুটিতে মানুষজন বেড়াতে আসছেন ‘কাকিনা-মহিপুর’ ঘাটে দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুতে। উত্তর অঞ্চলের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় থাকলেও এবার নতুন যোগ হয়েছে লালমনিরহাটের কাকিনা-মহিপুরের দ্বিতীয় তিস্তা সেতু।

ঈদের পরের দিন রবিবার লালমনিরহাটের কাকিনা-মহিপুর ঘাটের নির্মাণাধীন দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুতে সকাল থেকে হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে। লোকজনের সমাগমে আনন্দের জোয়ার বইছে।

রংপুর বিভাগের ভিন্ন জগত, আনন্দনগর, তাজহাট জমিদারবাড়ি, চিড়িয়াখানা, সুরভি উদ্যান, চিকলি পার্ক, ঘাঘট নদীর প্রয়াস সেনাপার্ক, পীরগঞ্জের আনন্দনগরসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোকে পাশ কাটিয়ে হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত এ সেতু। বিনোদনপ্রেমীরা বলেছেন, সরকার ইচ্ছে করলে নবরূপে সাজিয়ে এখান থেকে বিপুল অর্থ আয় করতে পারে।

ঈদের দিন শনিবার বিকালে সব বয়সী মানুষের ভিড় জমলেও সিংহভাগ দখল করে রাখেন তরুণ-তরুণীরা। তিস্তার ধাপে মা-বাবার হাত ধরে, কেউবা ভাই-বোন, আত্মীয় স্বজনের হাত ধরে ঘুরছেন। শুধু তরুণরা নয়, শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকরাও কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যাচ্ছেন আনন্দের রাজ্য দ্বিতীয় তিস্তা সেতুতে।

বরিশাল থেকে আসা একজন বলেন, দ্বিতীয় তিস্তা সেতু উদ্বোধনের আগেই এত জনপ্রিয় হয়েছে- যা বলার ভাষা নেই। আমি বেড়াতে এসে খুব খুশি।

দিনাজপুর থেকে আসা মাহিসা নাজনিন বলেন, জীবনে একবার গিয়েছি পদ্মারপাড় সেটিও এত ভালো লাগেনি। দ্বিতীয় তিস্তা সেতু এত সন্দুর জায়গা হবে আমার জানা ছিল না। প্রতি বছরেই একবার করে আসব।

লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত দুটি স্থাপনা নিয়ে মূলত দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন এখানে। এর একটি দেশের বৃহৎ সেচ প্রকল্প ‘তিস্তা ব্যারাজ’ এবং অপরটি তিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল।

পাশাপাশি তারা ঘুরে যাচ্ছেন দেশের তৃতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর বুড়িমারী। কাকিনা-মহিপুর ঘাটে দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর নির্মাণের পর থেকে এ অঞ্চলে মানুষের বড় চাওয়া প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন নিজে এসেই।

সেতু বাস্তবায়নকারী লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী পারভেজ নেওয়াজ জানান, মূল সেতুর কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। সংযোগ সড়কের মহিপুর অংশের সামান্য কাজ বাকি। সেতুটি উদ্বোধন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

(ঢাকাটাইমস/১৭জুন/আঞ্চলিক প্রতিনিধি/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত