১০ ফাউলের শিকার নেইমার

ক্রীড়া ডেস্ক
ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৮ জুন ২০১৮, ১৭:১৭ | প্রকাশিত : ১৮ জুন ২০১৮, ১৫:০৩

গত রাতে ব্রাজিলকে ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে সুইজারল্যান্ড। তবে বলের পজিশন ৬৭ ভাগ ছিল ব্রাজিলের দখলে। ম্যাচে সব দিক দিয়ে ঢের এগিয়ে থেকেও পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে ব্রাজিলকে। দৃষ্টিকটূ ফুটবল কৌশল বেছে নিয়েছিল সুইজারল্যান্ড।নেইমারকে আটকাতে নেতিবাচক অনেক কিছুই তারা করেছে। এক ম্যাচে নেইমারকে ফাউল হতে হয়েছে ১০ বার! বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ফাউলের নজির।

নেইমারকে এমনভাবে সুইস ফুটবলাররা ঘিরে রেখেছিলেন যে, স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে পারেননি তিনি।বারবার ফাউলে শিকার হন নেইমার। ম্যাচের প্রথম দিকেই ভালোন বেহরামি নেইমারকে ধাক্কা দেন। এর আগে অবশ্য গ্রানিত শাহাকা নেইমারের জার্সি টেনে ধরেন।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও যেন বেপরোয়া হয়ে পড়েন সুইস ফুটবলাররা। বারবার  নেইমারকেই লক্ষ্যে পরিণত করেন তারা।রেফারিও  সতর্কও করেছিলেন, কার্ডও দেখান।তবুও থামছিলেন না সুইস খেলোয়াড়রা। দৃষ্টিকটূভাবে নেইমারকে ফাউল করে যান।

ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণভাগের ফুটবলার স্তেফান লিখস্টাইনার জানিয়েছিলেন, তারা নেইমারের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছেন। কিন্তু এভাবে ফাউল করে নেইমারকে আটকে রাখা কতটা যৌক্তিক তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।

মাঠে বারবার ফাউলের কবলে পড়ে মেজাজ যেমন ঠান্ড রেখেছেন, মাঠের বাইরেও এই প্রশ্নের উত্তরে পরিপক্কতার পরিচয় দিয়েছেন নেইমার। তিনি বলেন,‘ আমি যতবার চোটে পড়েছি, প্রতিবারই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের ট্যাকলের শিকার হয়ে। সব সময়ই প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়েরা আমাকে টার্গেট বানান। কিন্তু প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়েরা টার্গেট বানালে আমার তো কিছু করার নেই। তা ছাড়া রেফারিংও আমার কাজ নয়। আমার কাজ হলো খেলা। ফাউল ধরাটা রেফারির কাজ। কোনটা ফাউল ধরা উচিত, কোনটা উচিত নয়, রেফারিরাই ভালো বোঝেন।’

এর আগে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ইংলিশ ফুটবলার অ্যালান শেরিকে মোট ১১ বার ফাউল করেছিল তিউনিশিয়ার খেলোয়াড়রা। যা কোনো বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ফাউল রেকর্ড। রাশিয়া বিশ্বকাপের সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে দিয়ে এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিলেন নেইমার।

(ঢাকাটাইমস/১৮জুন/ডিএইচ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত