পদ্মার পেটে বেড়িবাঁধ, আতঙ্কে গ্রামবাসী

ফরিদপুর প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৪ জুন ২০১৮, ১৭:০৯

বাড়তে শুরু করেছে পদ্মার পানি। পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙনও তীব্র আকার ধারণ করেছে। রবিবার ভোরে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গী গ্রামে প্রায় ১০০ মিটার বেড়িবাঁধ সড়কসহ তিনটি বসতভিটে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের ফলে গ্রামজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

গত ক’দিন ধরে উপজেলা পদ্মা নদীর পানি আকস্মিক বৃদ্ধি ও খড়ো স্রোতে বইছে। রবিবার ভোরে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের বেড়িবাঁধ সড়কের মাথায় পদ্মা নদীর পাড় ঘেষে এলাকায় স্রোতে একের পর এক বসত ভিটেগুলো বিলীন হয়ে যায়। এসব ভিটের উপর থেকে বসত ঘরগুলো আগেই সরিয়ে নেয়া হয়েছিল বলেও জানা যায়।

গ্রামের আ. খালেক মণ্ডল, নবীন মণ্ডল ও আবুল কাশেম মণ্ডলের বসতভিটে বিলীন হয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মার ভয়াল থাবায় ভোররাতে বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের আ. খালেক মণ্ডল, নবীন মন্ডল ও আবুল কাশেম মণ্ডলের বসতবাড়ি বিলীন হয়েছে। মালামালগুলো আগেই সরিয়ে ফেলতে পারলেও অনেক কিছুই ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়।

বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত আ. খালেক মণ্ডল বলেন, কদিন ধরেই ভাঙন চলছে। ভাঙন শুরু হওয়ায় আমরা বসতবাড়ির মালামাল কদিন আগেই সরিয়ে ফেলেছিলাম। ভোরে হঠাৎ বসতভিটে বিলীন হয়ে যায়।

তিনি বলেন, আমরা এসময় বাড়ির পাশে নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলাম বলে বেঁচে গেছি।

বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের রিকশাচালক আক্কাস মণ্ডল বলেন, আর কত ছবি উঠাবেন ভাই, আমাদের দুঃখ কেউ দেখল না। বছর ভইর‌্যা হুনলাম পদ্মা বানব, সবাই মিথ্যা কথা কয়- এই নিদানকালে আমাদের পাশে কেউ নাই।

চরভদ্রাসন সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজাদ খান জানান, বালিয়াডাঙ্গী গ্রামে প্রায় ১০০ মিটার বেড়িবাঁধ সড়কসহ তিনটি বসতভিটে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের ফলে গ্রামজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, চরভদ্রাসন উপজেলা সদরে আড়াই কি.মি. পদ্মা পারে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য ৩৩৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি পাশ হলে আগামী শীত মৌসুমে উপজেলা ভাঙন কবলিত পদ্মা পাড়ে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হতে পারে।

(ঢাকাটাইমস/২৪জুন/প্রতিনিধি/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত