গাজীপুরে ভোটের অপেক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৫ জুন ২০১৮, ১০:৩৭ | প্রকাশিত : ২৫ জুন ২০১৮, ১০:৩০

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হয়েছে গতকাল মধ্যরাতে। রাত ১২টা পর্যন্ত বিরামহীন প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেন প্রার্থীরা। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের। আগামীকালের ভোট সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে এমনটাই প্রত্যাশা প্রার্থী ও ভোটারদের।

গতকাল রবিবার প্রচারণার শেষ দিনে সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা ব্যস্ত সময় কাটান। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নগরের অলিগলি চষে বেড়ান তারা। প্রার্থীদের পক্ষে নেতাকর্মী সমর্থকরাও প্রচারণা চালান।

আগামীকালের নির্বাচনে কে হবেন গাজীপুর সিটির পরবর্তী নগরপিতা এ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে এখন চলছে অঙ্কের হিসাব। নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী থাকলেও মূলত লড়াই হবে নৌকা-ধানের শীষের মধ্যে। একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ভোট শুধু গাজীপুরের নতুন মেয়র হিসেবেই নয়, জাতীয় রাজনীতির হিসাব-নিকাশেও প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন করছেন অনেকে।

বিএনপি প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর আশা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হবে।

নির্বাচন গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মন্ডল। ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে নির্বিঘ্নে যেতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। সোমবার সকালে থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ভোটগ্রহণের সরঞ্জাম।

নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্র জানায়, নির্বাচনে ২৯ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, এবিবিএন, আনসারসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রায় ১২ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে।

নগরীর ৫৭টি ওয়ার্ডে পুলিশ ও আনসারের সমন্বয়ে ৫৭টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, সংরক্ষিত আসনে ২০টি স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। ৫৭টি ওয়ার্ডে ৫৭টি এবং অতিরিক্ত একটিসহ মোট ৫৮টি টিম মোতায়েন থাকবে। প্রতি দুইটি ওয়ার্ডে এক প্লাটুন করে মোট ২৯ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে।

এছাড়া নির্বাচনের আগে ও পরে চার দিন ৫৭টি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। আরো ১০ জন অতিরিক্ত হিসেবে সর্বমোট ৬৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন থাকবেন। সিটি কর্পোরেশনের প্রতি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একজন করে মোট ১৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। তারা ২৪ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত নগরীতে দায়িত্ব পালন করবেন।

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ২৫৪ জন এবং ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৮৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মেয়র পদে প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের মো. জাহাঙ্গীর আলম (নৌকা), বিএনপির হাসান উদ্দিন সরকার (ধানের শীষ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমীন (কাস্তে), ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা ফজলুর রহমান (মিনার), ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের জালাল উদ্দিন (মোমবাতি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নাসির উদ্দিন (হাত পাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমেদ (টেবিল ঘড়ি)।

ঢাকাটাইমস/২৫জুন/এমআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত