গাজীপুরে ভোটের রাতে চায়ের কাপে ঝড়

মোসাদ্দেক বশির ও সিরাজুম সালেকীন, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৫ জুন ২০১৮, ২৩:৪২ | প্রকাশিত : ২৫ জুন ২০১৮, ২১:৫৩

রাত পোহালেই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন। ভোটের আগের রাতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে কেন্দ্রে কেন্দ্রে। প্রার্থীদের পক্ষ থেকে প্রচার-প্রচারণা না থাকলেও চায়ের দোকানে চলছে নির্বাচনী আলোচনা। ভোট নিয়ে কেউ কেউ শঙ্কা প্রকাশ করলেও অনেকে আশাবাদী। জাতীয় নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ এই সিটির ভোটের দিকে নজর গোটা দেশবাসীর।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড। টঙ্গীবাজারের এ ওয়ার্ডটি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সাবেক মেয়র আজমত উল্লাহর বাড়ি। এছাড়া ঢাকার অদূরে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র টঙ্গীবাজার।

টঙ্গীবাজার ঘুরে দেখা যায়, কেন্দ্রে কেন্দ্রে চলছে প্রার্থীদের পোস্টারিংয়ের কাজ। সুতায় ঝুলানো প্রার্থীদের পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। চায়ের দোকানগুলোতে চলছে নির্বাচনী আড্ডা। গলায় প্রার্থীদের প্রতীক সম্বলিত কার্ড ঝুলিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন অনেকে। তবে বেশির ভাগের গলায় সরকারি দল আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলমের নৌকা প্রতীক সম্বলিত কার্ড। ২০ দলীয় জোট সমর্থিত হাসান উদ্দিন সরকারের ধানের শীষ প্রতীক সম্বলিত কার্ড কারও গলায় চোখে পড়েনি। তবে কিছু জায়গায় ধানের শীষের পোস্টার দেখা গেছে।

৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমি ১৩ বছর কাউন্সিলর ছিলাম। আমার নির্বাচনের জন্য মাঠে নামতে হয়নি। কিন্তু গত নির্বাচনে ডাকাতির মাধ্যমে ভোট ছিনিয়ে নিয়ে আমাকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। এ বছর আমি মাঠে আছি। আমি চাই গত বছরের মতো যাতে ভোট ডাকাতি না হয়। সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে যাতে মানুষ ভোট দিতে পারে।’   

নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী এজেন্ট সৌরভ সরকার ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘ধানের শীষের প্রচার-প্রচারণা নেই। ঈদের আগে কিছু প্রচারণা থাকলেও এরপর থেকে তাদের কাউকে দেখা যায়নি।’

নৌকা প্রতীকের অনেক নির্বাচনী বুথ থাকলেও ধানের শীষের কোনো বুথ চোখে পড়েনি। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘টঙ্গীবাজারে ধানের শীষের একটা বুথ থাকলেও গত কয়েকদিন ধরে সেখানে কাউকে দেখা যাচ্ছে না।’

চায়ের দোকানে আলাপ হয় লুৎফর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে চাই। এতদিন পরিবেশ ভালো ছিল। ভোটের দিন এরকম পরিবেশ থাকলে ভালো। ডিজিটাল যুগে যদি কেউ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখে তার ভোট দেয়া হয়ে গেছে তাহলে গণতন্ত্র হবে কীভাবে। আমরা চাই ভোটের মাধ্যমে গণতন্ত্রের বিজয় হোক।’

কাপড়ের ব্যবসায়ী বেলাল আহমেদ বলেন, ‘ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষ কথা বলতে চাই না। যদি পরিবেশ ভালো থাকে তাহলে ভোট দিতে যাবে। আর যদি পরিবেশ ভালো না থাকে তাহলে ভোট দিতে যাবে না।’

(ঢাকাটাইমস/২৫জুন/এমএবি/জেবি) 

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত