মেসির প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি

সুলতানা স্বাতী
 | প্রকাশিত : ১২ জুলাই ২০১৮, ০৮:৩৫

বাঁ বাহুতে মায়ের ছবিকে ট্যাটু বানিয়েছেন তিনি। মায়ের জন্য বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। মা-ই তার অনুপ্রেরণা। মা আর পরিবারকে ঘিরেই তার সবকিছু। বন্ধুবৎসল এই লোকটি আর কেউ নন। এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল থেকে বিদায় নেয়া আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন জন্মগ্রহণ করেছিলেন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি কুচিত্তিনি। বাবা হোর্হে হোরাসিও মেসি কাজ করতেন রোজারিওর একটি স্টিল কারখানায়। আর মা সেলিনা মারিয়া কুচ্চিত্তিনি ছিলেন পার্ট-টাইম ক্লিনার। তার পৈতৃক পরিবারের আদি বাসস্থান ছিল ইতালির আকোনা শহরে। তার পূর্বপুরুষদের একজন অ্যাঞ্জেলো মেসি ১৮৮৩ সালে সেখান থেকে আর্জেন্টিনায় চলে আসেন। তখন থেকেই আর্জেন্টিনায় স্থায়ী তারা। চার ভাইবোনের মধ্যে মেসি তৃতীয়। তার বড় দুই ভাই রদ্রিগো ও মাতিয়াস। ছোট বোন মারিয়া সল। ছোটবেলা থেকেই তাদের পরিবার ছিল ফুটবলপ্রেমী। বড় দুই ভাই ও দুই মামাতো ভাই ম্যাক্সিমিলিয়ানো ও ইমানুয়েল বিয়ানচুচ্চির সঙ্গে ফুটবল খেলেই বাল্যকাল কেটেছে তার। বর্তমানে ম্যাক্সিমিলিয়ান্নো আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হিসেবে স্থানীয় রুবিও ক্লাবে খেলেন। আর ইমানুয়েল বিয়ানচুচ্চি পেরুগিয়ান প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্লাব মালগারে মিডফিল্ডার হিসেবে খেলছেন।

মাত্র চার বছর বয়সে স্থানীয় ক্লাব গ্রান্দোলির হয়ে ফুটবল খেলা শুরু করেন মেসি, যার কোচ ছিলেন তার বাবা হোর্হে। ১৯৯৩ সালে, মাত্র ছয় বছর বয়সে ক্লাব নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজে যোগ দেন মেসি। একই সময় স্থানীয় যুবশক্তি ক্লাব ‘দ্য মেশিন অব ’৮৭’-এর সদস্য হিসেবেও খেলেন তিনি। যার ফলে ওই ক্লাবটি পরবর্তী চার বছরে একটি মাত্র খেলায় পরাজিত হয়। মেসি পরিচিত হয়ে ওঠেনÑ দ্য মেশিন অব ’৮৭ নামে। তাকে দ্য মেশিন অব ’৮৭ নামে ডাকার কারণটাও মজার। ওই সময় পরিচিত হয়ে ওঠা সবাইকেই তাদের জন্মসালসহ নাম দেয়া হতো। মেসির জন্ম ১৯৮৭ সালে। নিওয়েল’স ক্লাবের হয়ে পরবর্তী ছয় বছর খেলেন তিনি। সেই সাথে দ্য মেশিন অব ’৮৭-এর সদস্য হিসেবে অন্তত ৫০০ গোল করেন। কিন্তু মাত্র ১০ বছর বয়সেই গ্রোথ হরমোনের সমস্যা ধরা পড়ে মেসির। যার ফলে আর বেড়ে উঠবে না মেসি। অর্থাৎ আর বড় হবে না মেসি! কী ট্র্যাজেডি!

তবে এই রোগ চিকিৎসায় সারিয়ে তোলা যাবে। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন প্রচুর অর্থের। মাসে অন্তত এক হাজার ডলার। চিন্তিত হয়ে পড়েন মেসির বাবা-মা। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তার ভবিষ্যৎ। অসহায় বাবা ধর্না দিতে থাকেন স্থানীয় বিভিন্ন ক্লাবগুলোতে। নিউওয়েলস ক্লাব প্রথমে রাজি হলেও আসলে অত অর্থ ব্যয় করার সামর্থ্য নেই তাদের। বাবা যান বুয়েনেস এইরেসে ক্লাব রিভার প্লেটে। কিন্তু সেখানেও একই সমস্যা। একজন খেলোয়াড়ের জন্য স্থানীয় ক্লবগুলোর আসলে এ বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের সামর্থ্য নেই! দিশাহারা হয়ে যান বাবা-মা।

ঠিক ওই সময়ে যেন দেবদূত হয়ে সামনে আসেন বার্সেলোনার তৎকালীন ক্রীড়া পরিচালক কার্লোস চার্লি রেক্সাস। বার্সেলোনার সাবেক খেলোয়াড় ও কোচÑ এই ভদ্রলোকের তখনকার কাজ ছিল দেশ-বিদেশ ঘুরে ঘুরে বার্সার বিখ্যাত ‘লা মেসিয়া’ একাডেমির জন্য প্রতিভাবান ফুটবলার খুঁজে বের করা। ফুটবলের ভাষায় যাকে বলে ‘স্কাউট’। সেবার ছোট-বড় বহু ক্লাব ঘুরেও আর্জেন্টিনার কিশোর ফুটবলারদের দেখে তেমন মন ভরছিল না তার। খুঁজছিলেন এমন কাউকে, যাকে নিয়ে ভবিষ্যৎ স্বপ্ন দেখতে পারবেন তিনি। অবশেষে পেয়েও গেলেন তাকে নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের মতো ছোট্ট একটি ক্লাবের মাঠে। মাঠের সব থেকে ছোটখাটো, সব থেকে দুর্বল ছেলেটা তার থেকে আধহাত লম্বা লম্বা খেলোয়াড়দের বিন্দুমাত্র পাত্তা না দিয়ে একের পর এক গোল দিয়েই যাচ্ছে! বলটা মনে হচ্ছে চুম্বক দিয়ে ওর পায়ে লাগানো আছে, পা থেকে সরছেই না! মুগ্ধ রেক্সাস তখনই খোঁজ করলেন তার বাবা-মার। মেসিকে তার চাই-ই চাই।

কিন্তু মেসির বাবা-মায়ের কথা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়লেন তিনি। ‘আর বড় হবে না মেসি’Ñ মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন রেক্সাস। মেসির এই জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কি দিতে রাজি হবে তার ক্লাব? অথচ মেসি যে এক আশ্চর্য প্রতিভা, সেটা তখনই বুঝে গেলেন তিনি। ব্যর্থ মনে ফিরে গেলেন সেবার মেসিকে না নিয়েই। কিন্তু হাল ছাড়লেন না। ফিরে এলেন অল্প কিছুদিন পরেই, সুখবর নিয়ে। বার্সেলোনা বোর্ডকে রাজি করিয়েছেন মেসির হরমোনের চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য। সময়টা একবিংশ শতাব্দীর প্রথম বছর, ২০০০ সাল। মেসিকে নিতে চুক্তির সময় হাতের কাছে কোনো কাগজ না পেয়ে একটি ন্যাপকিন পেপারেই মেসির বাবার সঙ্গে চুক্তি সই করেন রেক্সাস।

কিন্তু অসুস্থ ছোট্ট মেসি কীভাবে বাবা-মাকে ছেড়ে থাকবেন বার্সেলোনায়? তারও সমাধান পাওয়া গেল। বাবা-মা হোর্হে-সেলিনা রাজি হলেন মেসির সঙ্গে বার্সেলোনায় গিয়ে থাকতে। ২০০১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা বাসাভাড়া নিলেন স্টেডিয়াম ক্যাম্প ন্যু’র কাছেই। কিন্তু অল্প কিছুদিন পরই তার মা ফিরে গেলেন রোজারিওতে। মেসি থাকেন বাবার সঙ্গে। বার্সেলোনায় প্রথম দিকে একেবারেই মানিয়ে নিতে পারছিলেন না মেসি। মাঠে তিনি এতই চুপচপ যে প্রথমে অন্যরা তাকে বোবা বলে ধরে নিয়েছিল! বাসায় শুধু বাবা। মা আর ভাইবোনদের কাছে না পাওয়ার যন্ত্রণা। এভাবেই কেটে গেল একটি বছর। সেই সঙ্গে চলল তার চিকিৎসা। ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত টানা চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি।

লা মেসিয়ার খেলোয়াড়দের সাধারণত চার-পাঁচ বছর লেগে যায় মূল একাদশ এমনকি বার্সা বি দলে সুযোগ পেতে। মেসি এখানেই অনন্য। লা মেসিয়ায় যোগ দেয়ার তিন বছরের মধ্যেই সুযোগ করে নেন বার্সেলোনা মূল দলে! সালটা ২০০৩। সে বছর ক্যাডেটস এ দলের হয়ে খেলে স্প্যানিশ ও কাতালান কাপ দুটিই জিতে নেন তিনি। ৩০টি ম্যাচে মোট ৩৬টি গোল করে শীর্ষস্থান দখল করেন তিনি। কোপা কাতালোনিয়া কাপে স্প্যানিওলকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বিস্ময় তৈরি করেন মেসি। বার্সেলোনায় তখন রোনালদিনহো, ক্লাইভার্টদের মতো তারকার মেলা। কিন্তু অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সেখানেও নিজের শৈলী দেখাতে ভুল করেনি মেসি। সময়টা ২০০৫ সালের পয়লা মে। দিনটা আজও স্প্যানিশ ফুটবলের রেকর্ড বুকে অমলিন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে বার্সেলোনার পক্ষে কনিষ্ঠতম গোলদাতা হিসেবে গোল করেন মেসি, যে রেকর্ডটা আজও কেউ ভাঙতে পারেননি। সে বছরই অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জিতে বিশ্ব ফুটবলে মেসি জানান দিয়ে দেন নিজের প্রতিভার। ওই সময় প্রথম বিদেশি কোনো ক্লাব- ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আর্সেনাল থেকে ডাক পান মেসি। কিন্তু দেশ আর পরিবারের টানে বার্সেলোনাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এরপরের গল্পটা সবার জানা। আর সেটা শুধুই সাফল্যের। ২০০৫ সালের আর ২৬ সেপ্টেম্বর মেসিকে নিজেদের নাগরিক করে নেয় স্পেন। সুযোগ পান লা লিগায় খেলার। ২০০৫ ফিফা যুব চ্যাম্পিয়নশিপে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। আর মেসি ৬ গোল করে প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুট দুটোই জিতে নেন। ২০০৭ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কারে মেসি হন তৃতীয়। ২০০৮ সালে ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কারে দ্বিতীয় হলেও ২০০৯ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার জিতে নেন তিনিই। ওই বছর ব্যালন ডি’অর পুরস্কারে ৪৭৩ পয়েন্ট নিয়ে মেসি প্রথম আর ২৩৩ পয়েন্ট নিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো হন দ্বিতীয়। এটি ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড। তবে ২০১০ সাল থেকে পুরস্কার দুটি এক করে নাম দেয়া হয় ফিফা ব্যালন ডি’অর। পুরস্কারটি তিনি পেয়েছেন চারবার।

২০১৭ সালে বার্সেলোনার হয়ে নিজের ৫০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন মেসি। আর গ্রেট মারাডোনাকে পিছিয়ে ফেলে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক হন। অর্থাৎ ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সব মিলিয়ে তিনি গোল করেন ৬১৬টি। ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে ৫৫২ গোল আর নিজ দেশ আর্জেন্টিনার হয়ে করেন ৬৪ গোল। আর এক বছরে ৯১টি গোল করে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে রেকর্ড করেন। বাঁ-পায়েই বেশি খেলেন তিনি। বার্সেলোনার জার্সিতে তার ৪৫৬ গোলের ৩২৬টিই এসেছে বাঁ পা থেকে। ব্রাজিলের রোনালদিনহোর প্রস্থানের পর বার্সেলোনায় মেসি তার ১০ নম্বর জার্সি পেয়ে যান।

ব্যক্তিগত জীবনে খুবই ঘরকুনো আর আবেগপ্রবণ মেসি। সব সময় ছোটবেলা তাকে পিছু টানে। ছোটবেলার বন্ধু, ছেলেবেলার সঙ্গী, যাদের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়েছিল তাদের কখনোই ভোলেননি তিনি। রোজারিওর বন্ধুদের নিয়মিতই খোঁজখবর নেন তিনি। আর এই বন্ধুর বেশিরভাগই ‘দ্য মেশিন অব ৮৭’-এর সদস্য ছিলেন। ছেলেবেলার প্রতি এ প্রবল আকর্ষণ থেকেই তিনি বিয়ে করেছেন রোজারিওর মেয়ে অ্যান্তোনেলা রুকুজ্জোকে। রুকুজ্জো তার ছোটবেলার এক বন্ধুর বোন। তবে তার আগে দু-একজন মেয়েবন্ধুর সঙ্গে রোমান্টিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। ২০০৬ সালের দিকে মাকারিনা লেমোস নামের এক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কের কথা শোনা যায়। কিন্তু তা অল্প কিছুদিনের জন্য। লুসিয়ানা স্যালাজার নামের এক আর্জেন্টাইন মডেলের সঙ্গে কিছুদিন দেখা যায় তাকে। ২০০৯ সালে তিনি খুঁজে পান তার ছোটবেলার সেই প্রেমিকাকে। ওই বছরই ক্যানাল ৩৩ টেলিভিশন চ্যানেলের ‘হ্যাটট্রিক বার্সা’ অনুষ্ঠানে নিজের প্রেমিকা হিসেবে রুকুজ্জোর নাম ঘোষণা করেন মেসি। তখন থেকে এ পর্যন্ত রুকুজ্জোই তার ধ্যানজ্ঞান। এরই মধ্যে তাদের কোলজুড়ে এসেছে তিন ছেলে থিয়াগো মেসি, মাতেও মেসি ও সিরো মেসি। সময় পেলেই বাচ্চাদের নিয়ে মেতে ওঠেন তিনি।

স্পেনে থাকা সত্ত্বেও নিজের পরিবার, আর রোজারিওর বন্ধুদের সঙ্গে সুনিবিড় বন্ধন রক্ষা করে চলছেন তিনি। বুয়েনেস এইরেসে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ট্রেনিং চলাকালীন একদিন হঠাৎ করেই রোজারিওতে আসেন মেসি। ট্রেনিং শেষে শুধু পরিবারের সঙ্গে ডিনার করতে অতটা পথ পাড়ি দেন গাড়ি চালিয়ে। ডিনার শেষে ওই রাতেই ফিরে যান ট্রেনিংস্থলে। ভোর থেকে শুরু হয় ট্রেনিং। এতটাই হোমসিক তিনি। এ ছাড়া রোজারিওতে পুরোনো বাড়িটিরও মালিকানা রেখে দিয়েছেন তিনি। যদিও এখন খালি পড়ে আছে বাড়িটি।

ছোটবেলায় নিজে অসুস্থ ছিলেন বলেই শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গড়ে তুলেছেন লিও মেসি ফাউন্ডেশন। আর্জেন্টিনার গরিব, অসুস্থ শিশুদের শিক্ষা ও চিকিৎসার ভার এই ফাউন্ডেশনের। এ ছাড়া জন্মস্থান রোজারিওর একটি শিশু হাসপাতালে ২০১৩ সাল থেকে ছয় লাখ ইউরো করে অনুদান দিয়ে আসছেন তিনি। এ ছাড়া মেসি তার ছোট্টবেলার সেই লিওয়েলস ওল্ড বয়েজ ক্লাব আর স্টেডিয়ামকে আর্থিকভাবে সাহায্য করে আসছেন। ২০১০ সাল থেকে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করছেন। শুভেচ্ছাদূত হিসেবে তার লক্ষ্য শিশুদের অধিকার রক্ষা।

কিন্তু এই মেসির সম্পদের পরিমাণ কত? তার বার্ষিক আয়ই বা কত? ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর মতে, মেসিই এখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা ফুটবলার। বেতনই ফুটবলারদের একমাত্র আয় নয়। এই মৌসুমে বেতন, বোনাস ও বিজ্ঞাপন বাবদ মেসির আয় হয়েছে ১২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো। এক হিসাবে মেসি প্রতি মিনিটে আয় করেছেন ২৫ হাজার ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। মেসির সঙ্গে আবারও ২০২১ সাল পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করেছে বার্সেলোনা। নতুন চুক্তি মতে, তার দাম ৭০০ মিলিয়ন ইউরো বা সাত হাজার কোটি টাকা। আর ফোর্বস সাময়িকীর মতে, এ বছর মেসির সম্পদ বেড়েছে ৩১ মিলিয়ন ডলার। মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১১১ মিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালের প্রকাশিত তালিকায় মেসিকে দ্বিতীয় স্থানে রেখেছে ফোর্বস।

এও কিছুর পরও, তার রয়েছে একটাই অপ্রাপ্তি। আর তা হলো আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ না জেতা। এবারও পারলেন না তিনি। আগামী বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

সুলতানা স্বাতী: সাংবাদিক

সংবাদটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত