প্রতিবাদী শিক্ষকরা ‘এক এগারোর কুশীলব’: হাছান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৫ জুলাই ২০১৮, ১৮:০৭ | প্রকাশিত : ১৫ জুলাই ২০১৮, ১৭:২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় প্রতিবাদে নামা শিক্ষকদের কড়া সমলোচনা করছেন হাছান মাহমুদ। তার দাবি, এই শিক্ষকরাই এক এগারোর কারিগর।

রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আকে আলোচনায় বক্তব্য রাখছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক।

হাছান বলেন, ‘কিছু দিন আগে দেখেছি, কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সাধারণ নাগরিকের ব্যনারে মানববন্ধন করেছে অভিবাবক। এরা কারা? এরা সেই ১/১১ কুশীলবরা।’

‘তারা তাদের পরিচয় গোপন করে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে। বিএনপি জামায়াত জোট যখন এ দেশে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করেছে তখন উদ্ধিগ্ন অভিভাককরা কোথায় ছিলেন?’

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর গত ৩০ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা হয়। এই হামলার প্রতিবাদে ২ জুলাই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আবার হামলা হয়। আর এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী বেশ কয়েকজন শিক্ষক নানা কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ছেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবে উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের ব্যানারে বিক্ষোভ করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন শিক্ষকরা। আবার আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক পালিয়েছিলেন আর পাকিস্তানপন্থী কিছু শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয় চালু রাখার চেষ্টায় ছিল। তারাই এখন খোলস পরির্বতন করে উদ্বিগ্ন অভিভাবক সেজেছে। বিএনপিকে দিয়ে তারা অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এখন কোটা আন্দোনকারীদের ওপর ভর করেছ।’

আর ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেয়া হবে না- বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের এই বক্তব্যেরও জবাব দেন হাছান মাহমুদ। বলেন, ‘আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চাই না খেলেই গোল দেব। মাঠে খেলতে নেমে দেখুন কয় গোল খান।।’

মওদুদের সমলোচনা করে ক্ষষমতাসীন দলের নেতা বলেন, ‘কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। তাহলে আবার তারা কি দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়?’

‘তবে সে চেষ্টা করে লাভ হবে না। দেশের জনগণ আপনাদেরকে প্রতিহত করবে।’

বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ হলে হাসপাতালে যাচ্ছেন না কেন?-এমন প্রশ্ন তুলে হাছান বলেন, ‘বিএনপি নেতারা এখন মিথ্যাচার করে দেশের জনগনের সহানুভূতি আদায় করার চেষ্টা করছে।’

মুক্তিযোদ্ধা মোবারক আলী সিকদারের সভাপতিত্ব আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরী, আওয়ামী লীগ নেতা অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।

ঢাকাটাইমস/১৫জুলাই/টিএ/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত