সামাজিক মাধ্যমে ‘লক্ষ্য রাখছে’ সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৮, ১৫:০২ | প্রকাশিত : ১৮ জুলাই ২০১৮, ১৫:০০

আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর জন্য এবং নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে যারা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করছে তাদের বিষয়ে সরকার লক্ষ্য রাখছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু।

রবিবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে আমু এ কথা বলেন।

কমিটির সভাপতি বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এ পর্যন্ত প্রতি মাসেই আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধ কমে আসছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার কারণে এটা কমে এসেছে।’

‘খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, অপহরণ, চুরি-ডাকাতি সবই হ্রাস পেয়েছে বিগত চার মাসে।’

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের সময় বোমা হামলার বিষয়ে এক প্রশ্নে আমু বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ঘটনা ঘটবে না, সেটা আশা করা যায় না। ঘটতেই পারে। কিন্তু সে ঘটনা ঘটার পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা কী, সরকারের পদক্ষেপ কী সেটাই লক্ষণীয়।’

মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০ জনের মৃত্যু জেনেছেন আমু

গত মে থেকে শুরু হওয়া মাদকবিরোধী অভিযানে নিহতের সংখ্যা দুইশ ছেড়ে গেলেও আমু জেনেছেন এই সংখ্যাটি সবে ৩০। সেই কথাটিও জানান তিনি।

মন্ত্রী জানান, ১৮ মে থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত মাদকবিরোধী অভিযানে ২৫ হাজার ৫৭৫ টি মামলা হয়েছে, গ্রেপ্তার হয়েছে ২৭ হাজার ২২৫ জন।

‘এখন বাংলাদেশের কারাগারের বন্দী ধারণক্ষমতা হলো ৮৯ হাজার হাজার ৫৮৯ জন। আজকে যারা কারাগারে আছে তার মধ্যে ৪২ শতাংশই মাদক বিরোধী অভিযানে ধরা পড়েছে।’

মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি মাদকসেবীদের চিকিৎসার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে বলে জানান আমু। জানান, জেলা এবং উপজেলা ভিত্তিক তাদের জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযান কতদিন চলবে-জানতে চাইলে আমু বলেন, ‘যতদিন সম্পুর্ণভাবে নিরসন করা না যায়, ততদিন পর্যন্ত এ অভিযান চলবে। এটার ব্যাপারে সরকারের কঠোর নির্দেশ, যেই কেউ জড়িত থাক না কেন, কারও ব্যাপারে ছাড় দেয়া হবে না।’

একজন এমপির বিষয়ে অভিযোগ আসছে, তাকে ধরা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘নিশ্চয়, প্রমাণসাপেক্ষে ধরা হবে। যদি প্রমানিত হয়, এটা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগেও বলেছেন। তার ব্যাপারে যথাযথ প্রমাণ পেলে ছাড় দেয়া হবে না। এ ব্যাপারে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।’

মে-জুন মাসে সারাদেশে সংগঠিত খুন, ডাকাতি, নারী নির্যাতনের মামলার ৮০ শতাংশের বেশি আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে বলেও জানান আমু।

‘এ বছর দুটি জঙ্গি ঘটনা ঘটেছে। দায়ী ব্যক্তিদের অধিকাংশই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

ঢাকাটাইমস/১৮জুলাই/এমএম/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত