রাষ্ট্রীয়ভাবে কর্নেল তাহেরের মৃত্যুবার্ষিকী পালনের দাবি

ফরিদপুর প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৮, ১৯:৩০ | প্রকাশিত : ২১ জুলাই ২০১৮, ১৯:২৯

ফরিদপুরে কর্নেল তাহেরের মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানানো হয়েছে।

শনিবার বিকেলে এক আলোচনা সভায় এ দাবি জানায় বিপ্লবী তাহের মঞ্চ ফরিদপুর এবং ফরিদপুর সদর থানা জাসদ।

কর্নেল তাহেরের ৪২তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন উপলক্ষে ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মহিম ইনিস্টিটিউট মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়েছিল।

সদর থানার জাসদের নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম মল্লিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা ওর্য়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, জাসদ থানা কমিটির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন, থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিক মোল্লা, কানাইপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. সেকেন্দার হোসেন, পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আলী দেওয়ান, ১২ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির প্রচার সম্পাদক সালাম সর্দার, জাসদ থানা কমিটির সদস্য নেতা মো. শামীম মল্লিক প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কর্নেল তাহেরকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে প্রহসনের বিচারে হত্যা করা হয়।

‘তাহেরের মৃত্যুকে একটি ঠান্ডা মাথার হত্যাকা-’-হিসেবে আখ্যায়িত করে বক্তারা বলেন, এ হত্যার বিচার করতে হবে। এ হত্যার বিচার আজ সময়ের দাবি।

বক্তারা তাহেরের মৃর্ত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অকুতভয় এই সৈনিককে কাপুরোষিতভাবে বিচারের নামে প্রহসন করে হত্যা করা হয়। এ হত্যার দায় জাতি বহন করতে রাজি নয়। তাই তাহেরের ঘাতকদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

সভার শুরুতে কর্নেল তাহের বীরোত্তমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। আলোচনা শেষে এক মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই সামরিক ট্রাইব্যুনালে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। সে সময় রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সামরিক শাসক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

তাহের হত্যাকা- নিয়ে এক রায়ে হাই কোর্ট বলেছে, তৎকালীন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনায় মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার তাহেরকে বিচারের নামে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছিলো।

তাহেরকে শহীদের মর্যাদা দেয়ার পাশাপাশি কথিত সামরিক আদালতের বিচারকের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করারও নির্দেশ দেয়া হয় রায়ে।

আদালত রায়ে বলেছে, জিয়া জীবিত না থাকায় তার বিচার সম্ভবপর না হলেও সরকারের উচিত হবে এই হত্যার জন্য দায়ী কেউ জীবিত থাকলে তাকে খুঁজে বের করে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা।

বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের ২০১১ সালের ২২ মার্চ এই রায় দেন।

ঢাকাটাইমস/২১জুলাই/প্রতিনিধি/ ইএস

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত