ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা, ১১ দিন পর মামলা

বাগেরহাট প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৩ জুলাই ২০১৮, ১২:২৮

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক হাজরা ইশতিয়াক হোসেন বাহাদুরের ওপর হামলার ঘটনার ১১ দিন পর মামলা হয়েছে।

রবিবার রাতে ছাত্রনেতার মামা শাহাজাহান শেখ বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২/৩ জন অজ্ঞাতের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় ডাকাতি ও লুটের মামলা করেছেন।

হামলার পরপর পুলিশ কচুয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন অন্তত সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে পুলিশ এজাহারনামীয় কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

এই মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের সবার বাড়ি কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।

ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিকলীগ নানা কর্মসূচি পালন করে। ওই সময় কর্মসূচি থেকে ছাত্রনেতা ইশতিয়াকের ওপর হামলাকে পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেন দলের নেতারা।

এদিকে, কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক হাজরা ইশতিয়াক হোসেন বাহাদুর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার দুই হাতে সফল অস্ত্রোপচার হয়েছে। তিনি ধীরেধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল কবির বলেন, গত ১০ জুলাই কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক হাজরা ইশতিয়াক হোসেন বাহাদুর পরিবহনযোগে ঢাকা থেকে কচুয়ার সাইনবোর্ড এলাকায় নামেন। সেখানে নেমে তিনি ব্যাটারিচালিত ভ্যানযোগে কচুয়ার বাড়িতে ফেরার পথে কাটা বটতলা এলাকায় পৌঁছলে চন্দ্রপাড়া গ্রামের রাসেল শেখের নেতৃত্বে ৮/৯ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল তার ভ্যানের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে তার কাছে থাকা নগদ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা, মোবাইলসেট, ব্যাংকের ডেভিট ও ক্রেডিট কার্ড লুট করে পালিয়ে যায়। ওই সময়ে ছাত্রলীগ নেতার ভ্যানে থাকা অপর দুই যাত্রী রাধিকা প্রসাদ মিত্রের মোবাইলসেট ও তার স্ত্রীর স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছাত্রলীগ নেতা ইশতিয়াক ওই হামলাকারীদের মধ্যে ছয়জনকে চিনতে পেরেছে বলে দাবি করেছেন। যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, তারা এই এলাকার পেশাদার সন্ত্রাসী। মামলাটি নথিভুক্ত করে তা তদন্ত করতে কচুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সরদার ইকবাল হোসেনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

কচুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবং এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সরদার ইকবাল হোসেন বলেন, ছাত্রলীগ নেতা ইশতিয়াকের কাছে থাকা নগদ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা লুট করতে ওই ডাকাত দল সশস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। মামলা হওয়ার আগেই পুলিশ কচুয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন অন্তত সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। আহত ছাত্রলীগ নেতার মামা শাহাজাহান শেখ থানায় যে এজাহার দিয়েছেন তাতে গ্রেপ্তার হওয়া ওই সাতজনের নাম নেই। যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তাদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।

(ঢাকাটাইমস/২৩জুলাই/প্রতিনিধি/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত