শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও বাংলাদেশ

আবু বকর সিদ্দিক
 | প্রকাশিত : ১৫ আগস্ট ২০১৮, ১৭:৫৪

আব্রাহাম লিংকন যখন আমেরিকার সিংহাসনে আরোহণ করেন তখন আমেরিকা এক নতুন দেশের স্বপ্ন দেখেছিল। নেলসন ম্যান্ডেলা যখন বর্ণবিদ্বেষ রুখে দেবার আন্দোলনে নেমেছিলেন তখন আফ্রিকা নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল। হুগো শ্যাভেজ যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন তখন ভেনিজুয়েলা দেখেছিল নতুনভাবে ঠিকে থাকার অনুপ্রেরণা। কামাল আতার্তুক যখন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পদার্পণ করেছিলেন তখন তুরস্ক নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল। মাহাথির বিন মোহাম্মদ যখন ক্ষমতায় আরোহণ করেন সারা মালয়েশিয়া দেখেছিল এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের প্রতিচ্ছবি। মহাত্মা গান্ধী যখন আন্দোলনে নেমেছিলেন তখন সারা ভারতবর্ষ নতুন করে বাচাঁর স্বপ্ন দেখেছিল।

যেদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম হয়েছিল সেদিন থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার প্রহর গুণছিল। এ বিশ্বের ইতিহাসে কিছু মানুষ তার কাল, জাতি,শতাব্দী পাড়ি দিয়েও মানুষের মনে চির অম্লান হয়ে থাকেন তাদেরই একজন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ মহান বীরপুরুষকে কত নামে অভিধায় করা যায়। করারই তো কথা। এই মহান মানুষটি কী করেন নাই এদেশের জন্য। যে মানুষটি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও বলতে দ্বিধা করেননি ‘আমি বাঙালি বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা।’ এরকম মহান বাঙালি ইতিহাসে কয়জন পাবেন। যে মানুষটি তার জীবনের মূল্যবান ১৬ বছর জেলের প্রকোষ্ঠে কাটিয়েছেন। সে মানুষটির চেয়ে বড় কোনো দেশপ্রেমিক জন্মেছিল এই বাংলায়! এই মহান বাঙালির চেয়ে বড় কোনো দেশপ্রেমিক এই বাংলায় জন্মাবেন কি না সন্দেহ আছে। জাতির জনকের কোনো বিপরীত নাই, উনার তুলনা শুধুই তিনি।

শেখ মুজিব কৈশোরেই একজন প্রতিবাদী নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন । অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বাংলার বাঘ হিসেবে খ্যাত শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক একবার স্কুল পরিদর্শনে গেলে স্কুলের ছাদ নির্মাণের দাবিতে ছাত্রদের পক্ষ থেকে মুজিব মুখ্যমন্ত্রীর পথরোধ করে দাঁড়িয়েছিলেন। সেদিন সেই ছেলেটির চাহনির দিকে তাকিয়ে বাংলার বাঘ হয়তো আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। যেখানে স্কুলের শিক্ষকদের উদ্দেশ্য ছিল কেউ যেন ফজলুল হকের সামনে কথা না বলে; কিন্তু তার সাহসী মনোবল তাদের অধিকার আদায়ের জন্য বদ্ধপরিকর ছিল। তিনি তার বন্ধুবান্ধবদের পক্ষ থেকে এর প্রতিবাদ করেন এবং সেই দিনই বাংলার বাঘের নজর কাড়েন জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তান।

বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন ১৯৮০ সালে এক বক্তৃতায় বলেছেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন বাংলা ভাষা থাকবে, ততদিন বাংলা থাকবে, যতদিন বাঙালি থাকবে, গঙ্গা যমুনা পদ্মা মেঘনা ব্রহ্মপুত্র ধলেশ্বরী করতোয়া কীর্তনখোলা নদীর দুই তীরের মানুষ যতদিন বেঁচে থাকবে, যতদিন এদেশের মানুষের হৃদয়ে উত্তাপ থাকবে, ততদিন অন্তরের মণিকোঠায় একটি নাম চির জাগরুক থাকবে তা হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

এই বাংলার ইতিহাস হাজার বছরের ইতিহাস। এই ইতিহাসের পেছনে রয়েছে কিছু মানুষের আত্মত্যাগ আর কিছু মানুষের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। এই জনপদের যেমন কিছু রঙিন ইতিহাস রয়েছে ঠিক এই জনপদের কিছু কালো অধ্যায় রয়েছে। এই বাংলা নানা সময়ে নানানরকম মানুষের মাধ্যমে শাসিত ও শোষিত হয়েছে। কখনো কখনো কিছু মানুষ প্রতিবাদ করেছে কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এই জনপদ কখনো পর্তুগিজ, কখনো পারস্য আর কখনো ডাচদের দ্বারা শোষিত হয়েছে। আমাদের এই বাংলার সবচেয়ে বড় কালো অধ্যায় হলো এই পবিত্রভূমি প্রায় ২০০ বছর ব্রিটিশ বেনিয়া আর কিছু জমিদার নামধারী শাসকের দ্বারা শোষিত হয়েছে বারবার।

১৭৫৭ সালে ভারতবর্ষসহ বাংলা থেকে সেদিন স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। এর পরে শত বছর কেটে গেছে কেউ আমরা ইংরেজদের কবল থেকে মুক্ত হতে পারিনি। অনেকেই বিভিন্ন সময় এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন অনেকে আবার নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। ঈসা খাঁ থেকে ফকির সন্ন্যাসী আন্দোলন, দেবী চৌধুরাণী, তিতুমীর, শরিয়ত উল্লাহ, খুদিরাম, প্রীতিলতাসহ হাজারো প্রাণ বিলিয়ে দিতে হয়েছে সেইসব নরপিশাচের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ সময় এদের সাথে সংগ্রাম করার পর ১৯৪৭ এর সময়ে পুরো ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়। স্বাধীন হবার পরেও আমরা বাংলার মানুষ নিজেদের অধিকার পেতাম না। ঠিক সেই সময় থেকে বাংলার দাবিদাওয়া পাকিস্তানের কাছে পেশ করতেন জাতির জনক। তিনি সেই বাংলার জন্মলগ্ন থেকে বাংলার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

সেই ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন, ৫৮ এর সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে যে মানুষটি প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি আর কেউ নন আমাদের বাংলাদেশের জাতির জনক। ৬৬ এর ছয় দফা আন্দোলনসহ বাংলার স্বাধীনতার প্রতিটি আন্দোলনে একটি নাম জড়িত তিনি আমাদের জাতির জনক। ১৯৬৮ এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি করা হয় জাতির এই সূর্য সন্তানকে। পরে তুমুল আন্দোলনের কারণে পাকিস্তান সরকার তা থেকে দূরে সরে আসতে বাধ্য হয়। ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এর ডাক দিয়েছিলেন জাতির জনক। ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রেসকোর্স ময়দানে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়। উপাধি দেন জনাব তোফায়েল আহুমদ।

‘একটা সময় ছিল যখন এই মাটি আর মানচিত্র থেকে ‘বাংলা’ শব্দটি মুছে ফেলার সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। ‘বাংলা’ শব্দটির অস্তিত্ব শুধু বঙ্গোপসাগর ছাড়া আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যেত না। আমি পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আজ ঘোষণা করছি যে, এখন থেকে এই দেশকে 'পূর্ব পাকিস্তানের বদলে 'বাংলাদেশ ডাকা হবে’। ১৯৬৯ এর ৫ ডিসেম্বর এর এক জনসভায় তিনি আলদা এক বাংলাদেশের ডাক দেন। এর পর থেকেই আমাদের নাম হয়ে যায় বাংলাদেশ।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক আইনসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। পূর্ব পাকিস্তানের কোটার দুটি আসন ছাড়া বাকি সবগুলোতে জয়ী হওয়ার জন্য জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠতাও অর্জন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। নির্বাচনের ফলাফল পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে নানারকম সমস্যা সৃষ্টি করে। পশ্চিম পাকিস্তানের বড় দলের নেতা জুলফিকার আলি ভুট্টো, মুজিবের স্বায়ত্বশাসনের নীতির প্রবল বিরোধিতা করেন। তারা সরকার গঠন করতে দেরি করে। বাংলার মানুষ পাকিস্তানিদের টালবাহানা বুঝতে পারে।

১৯৭১ এই সাল। সারা বাংলা অধিকার আদায়ের দাবিতে উত্থাল। ঠিক এই সময়ে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি রেসকোর্স ময়দান থেকে ভাষণ দিলেন ‘প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল। এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। রক্ত যখন দিয়েছি, আরো রক্ত দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম জয় বাংলা।’

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানের এই ভাষণের পর মানুষ নিজেদের প্রস্তুত করতে শুরু করে। প্রতিটি গ্রামে, মহল্লায়, প্রতিটি পরগণায় স্বাধীনতার জন্য মানুষের মধ্যে এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা বিরাজ করে। ৭ মার্চের এই ভাষণকে নেলসন ম্যান্ডেলা বলেছিলেন ‘স্বাধীনতার মূল দলিল’। বাংলার মানুষ পেয়েছিল সেই ভাষণের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা। তার সেই ভাষণের পর বাংলার মানুষ নানাভাবে নিজেদের অবস্থান গড়তে শুরু করে। মানুষের মধ্যে বিরাজ করে টানটান উত্তেজনা। এ তো মানুষের হাজার বছরের স্বপ্ন নিজেদের একটা দেশ হবে নিজেদের একটি জাতিসত্তা হবে এর চেয়ে বড় পাওয়া একজন বাঙালির কী হতে পারে।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গভীর রাত্রে পাক সেনারা বাংলায় ঢুকে বাংলার নিরীহ মানুষ হত্যা করে। তারা বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান মুজিবকে এ রাতে গ্রেপ্তার করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ঢাকায় অজস্র সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশ ও ই.পি.আর.-কে হত্যা করে এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাপ্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বাঙালিদের তৎকালীন জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের পূর্বে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

যুদ্ধের ডাক দেওয়ার পর সারা বাংলার মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আবাল বৃদ্ধ বণিতা সবার রক্তের বিনিময়ে আমরা পেলাম স্বাধীনতা। দীর্ঘ নয় মাস ৩০ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেলাম স্বাধীনতা। দুই লাখ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা পেলাম স্বাধীনতা। একজন মানুষ যিনি তার জীবনের ৫৫ বছরের মধ্যে ৩৭ বছর আন্দোলনে ছিলেন শুধু বাংলাকে স্বাধীন করবেন বলে। এই মহান মানুষ আমাদের জাতির জনক। জাতির জনকের কারণে আমরা পেলাম স্বাধীনতা।

প্রতিদিনের মতো একটি দিন ছিল সেদিন ১৭ ই মার্চ ১৯২০ সাল। কিন্তু এই দিনটির বিশেষত্ব হলো এদিন বাংলার সূর্য সন্তান জাতির জনক মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। শেখ মুজিবের জন্মগ্রহণ করার সাথে সাথে বাংলার হাজার বছরের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হবার পথচলা সুগম হয়। ১৯২০ থেকে ১৯৭৫ মাইলফলক জীবনের বেশিরভাগ সময় তিনি ব্যয় করেছেন এই বাংলার মানুষের মুক্তির আন্দোলনের জন্য। নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও তিনি বাংলার আন্দোলন থেকে তিনি পিছুপা হননি। তিনি বলেছিলেন- ‘আমার সবচেয়ে বড় শক্তি ‘আমি আমার মানুষকে ভালোবাসি’। আমার সবচেয়ে

দুর্বলতা ‘আমি আমার মানুষকে বেশি ভালোবাসি।

এ মহান মানুষটিকে বিবিসি বাংলা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বলে জরিপে তুলে ধরেছে। এ মহান মানুষটিকে কিউবার ফিদোল কাস্ট্রো বলেছিলেন ‘আমি হিমালয় দেখি নি আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেখেছি’। এ মহান মানুষটিকে আমেরিকান নিউজউইক পত্রিকা ‘রাজনীতির কবি’ বলে অভিহিত করেছে। ফিলিস্তিনের সংগ্রামী নেতা ইয়াসির আরাফাত এ মহান মানুষটিকে ‘আপসহীন সংগ্রামী নেতৃত্ব আর কুসুম কোমল হৃদয় ছিল’ বলে অভিহিত করেছিলেন। বিশ্বের ৪০টি শ্রেষ্ঠ ভাষণের মধ্যে ৭ মার্চের ভাষণ একটি। এই মহান মানুষটির অবদান লিখলে কয়েকটা বই লেখা যাবে তা একটি প্রবন্ধে তুলে ধরা সম্ভব হবে না। তিনি মহান। তিনি বাংলার মহান পুরুষ।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তান কারাগার থেকে বীর বেশে দেশে ফিরেন। এ দিনটি এখনো স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। দেশে আসার পর সরকার গঠন করলেন এবং যুদ্ধ বিধ্বংস একটি দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। নানাঘাত প্রতিঘাত অতিক্রম করে তিনি যখন দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ঠিক তখনি কিছু ষড়যন্ত্রকারী দেশ ও বিদেশি মানুষের চক্রান্তের শিকার হন। সেনাবাহিনীর কিছু অসৎ ও বিপদগামী সেনাকর্মকর্তার হাতে তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২নং বাড়িতে সপরিবারে নিহত হন।

‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান

ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।

দিকে দিকে আজ অশ্রুমালা রক্তগঙ্গা বহমান

তবু নাই ভয় হবে হবে জয়, জয় মুজিবুর রহমান।’

এই বাংলার ইতিহাস খুঁজলেই একজন মানুষের নাম পাওয়া যায় তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালি, বাংলা,বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এক অভিন্ন সত্তা। যারা জাতির জনককে অস্বীকার করে তারা বাংলাকে অস্বীকার করে। যারা জাতির জনককে অস্বীকার করে তারা বাংলার স্বাধীনতা অস্বীকার করে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। শোকের মাসে জাতির এই মহান বীরপুরুষের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।

লেখক: আবু বকর সিদ্দিক, শিক্ষার্থী: ইংরেজি সাহিত্য,এম, সি কলেজ, সিলেট

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

মতামত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত