বঙ্গবন্ধু স্মরণে নিম্ন আদালতের বিচারকদের কর্মসূচি

আদালত প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৫ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৪২
ফাইল ছবি

ঢাকার নিম্ন আদালতের জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, বিশেষ জজ, ট্রাইব্যুনাল, সিএমএম ও সিজেএম আদালতে বিচারকরা বঙ্গবন্ধুর স্মরণে জাতীয় শোক দিবস পালন করেছেন। 

বুধবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ভবনের জগন্নাথ সোহেল স্মৃতি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মহাফিলের মাধ্যমে তারা এ শোক দিবস পালন করেন।

ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের ওই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ, মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) মো. সাইফুজ্জামান হিরো, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) জাহিদুল কবির, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শহীদুল ইসলাম ফারুক, শরীফ উদ্দিন, তাবাচ্ছুম ইসলাম, বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান খান, বিশেষ জজ আতা উল্লাহ, অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরী, ঢাকা জেলা জিপি ফকির দোলোয়ার হোসেন ও মেট্রোবারের সভাপতি জাহেদুল ইসলামসহ প্রমুখ। এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণির বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ হেলাল চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর আন্তর্জাতিক নেতা হয়ে ওঠার স্মৃতিচারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলে শেষ করা যাবে না। তাকে হত্যার পর ২১ বছর আমাদের দাবিয়ে রাখা হয়েছিল। তাই আপনারা (বিচারক) যারা এই প্রজন্মের আছেন তারা শুধু বঙ্গবন্ধুর ৭ মর্চের ভাষণ ভালো করে শুনবেন তাহলেই বুঝতে পারবেন তিনি কতবড় নেতা ছিলেন। তার উত্তরাধিকারী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন বলে তার সম্পর্কে আমরা আজ জানতে পারছি। ওই মহান পুরুষ দেশের স্বাধীনতা এনে না দিলে আমরা আজ এই জায়গায় বসতে পারতাম না। তাই তাকে আমরা কেন স্মরণ করব না? তাকে আমরা অন্তরে ধারণ করব।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে এদেশে কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছিল। আইনের শাসনকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল। এখন তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবী দেশে আইনের শাসন নেই বলে বক্তব্য দিয়ে বেড়ান। তাদের বলব, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যখন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইনের শাসনকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল সেদিন আপনারা কোথায় ছিলেন। সেদিন আপনারা একটি কথাও বলেন নাই। আপনারা অনেকে খুনিদের সাথে পার্লামেন্টে বসে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ পাস করতে হাতে তালি দিয়েছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুসহ শাহাদাত বরণকারী শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

(ঢাকাটাইমস/১৫আগস্ট/আরজেড/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আদালত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত