আনুষ্ঠানিক প্রচারে এরশাদ, বিএনপি এলে আ.লীগের সঙ্গে জোট

রংপুর ব্যুরো, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১৮:২৮ | প্রকাশিত : ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১৫:৩৭

বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা ভালো নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বলেছেন, বিএনপির অবস্থা ভালো নেই। তারা আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিলে জোটগতভাবে, আর না নিলে জাতীয় পার্টি এককভাবে নির্বাচন করবে।

শনিবার সকালে রংপুর সার্কিট হাউজে জাতীয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণার উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।

এরশাদ বলেন, ‘জাতীয় পার্টি নির্বাচনমুখী দল, নির্বাচনে অংশ নেবে। বিএনপি নির্বাচনে আসবে কি আসবে না, তারাই ভালো জানে। এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে চাই না। তবে রংপুরের ২৩টি আসনই আমরা চাই।’

‘বিএনপি নির্বাচন করলে জোটগতভাবে নির্বাচন হবে, আর তারা নির্বাচন না করলে তিনশ আসনেই প্রার্থী দিয়ে নির্বাচন করবো আমরা। বিএনপি নির্বাচনে না আসলেও আমরা নির্বাচনে অংশ নিবো। কারণ জাতীয় পার্টি নির্বাচনমুখী দল। ’

নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এরশাদ বলেন, ‘সেই মিনি সরকারে আমাদের লোকজন থাকবে। তবে কে বা কারা সেই সরকারে থাকবে তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। ’

রংপুরবাসী তাকে ভোট দেবে প্রত্যয় ব্যক্ত করে এরশাদ বলেন, ‘আমি রংপুর তিন আসনেই প্রার্থী হবো। রংপুরবাসী আমাকে ভোট দেবে। মৃত্যুর আগে এই আসনটি আমার থাকবে। মরার সময় গর্ব করে বলতে পারি রংপুরের মানুষ আমাকে ভালোবাসে।’

এসময় কোটা এবং নিরাপদ সড়ক সংস্কার আন্দোলনে বিষয়ে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীদের মুক্তি দিতে আহ্বান জানান এরশাদ।

এরশাদের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু ও মেজর (অব.) মো. খালেদ আখতার।

২০০৭ সালের বাতিল হওয়া নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয় জাতীয় পার্টি। গঠন হয় মহাজোট।পরে ভোট  বর্জনও করে তারা। আর জরুরি অবস্থা জারির পর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচন একসঙ্গেই করে তারা।
২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে আগে মহাজোট থেকে বেরিয়ে যান এরশাদ। দেন ভোট বর্জনের ঘোষণা। তবে তার স্ত্রী বেগম রওশন এরশাদের নেতৃত্বে নির্বাচনে যায় দলের একটি অংশ। এরশাদ নিজেও অনিচ্ছা সত্ত্বেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রংপুরের একটি আসন থেকে। 
সে সময় এরশাদ তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার আবেদন করলেও সময় মতো আবেদন না পড়ায় দুটি আসনে তার প্রার্থিতা থেকে যায়। আর রংপুর সদর আসনে নির্বাচিত হওয়ার পর শপথ নেবেন না জানিয়েও পরে শপথ নেন আর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতও হন। আর তার দলের তিন জন মন্ত্রিসভাতেও স্থান পান।
নানা সময় এরশাদ জানিয়েছেন, তার দলের সদস্যরা মন্ত্রিসভা থেকে সরে যাবেন। কিন্তু তারা পদত্যাগ করেননি। আর এরশাদ ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেয়ার কথা জানিয়ে আসছেন গত তিন বছর ধরে।

ঢাকাটাইমস/১৮আগস্ট/ব্যুরো/ডিএম

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত